ফেলিক্সের পর ডি লিট

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক

এ বছর সবচেয়ে বড় চমকটা দেখায় অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। আন্তোনিও গ্রিজম্যান চলে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর পরই নড়েচড়ে বসে দলটি। পর্তুগালের তরুণ সেনসেশন জোয়াও ফেলিক্সকে ১২৬ মিলিয়ন ইউরোতে দলে ভেড়ায় দলটি। যেটা টিনএজার হিসেবে দলবদলের খাতায় দ্বিতীয় রেকর্ড গড়ে। যে তালিকায় একে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১৮০ মিলিয়ন খরচায় মোনাকো থেকে তাকে কিনেছিল পিএসজি। তবে ক'দিন আগে আয়াক্স থেকে ৮৫.৫ মিলিয়ন ইউরোতে ডি লিটকে কিনে আরেকটা চমকই দেখাল জুভেন্তাস। এ মুহূর্তে বিশ্বের যে ক'জন দামি টিনএজার রয়েছেন তাদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ তিনি।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ দিয়েই সবার নজরে আসেন ডি লিট। যে আয়াক্সের কাছে হেরে বিদায় হয়েছিল জুভদের, তাদের ঘরেই নজর দিল ইতালির জায়ান্টরা। তার চেয়ে বড় কথা হলো, জুভেন্তাসের বিপক্ষে এই ডাচ সেন্টার ব্যাক বল পায়ে নৈপুণ্য দেখান। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোদের একের পর এক আক্রমণ থামিয়ে জন্ম দেন নতুন আলোচনা। এর পরই তাকে কিনতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেশ কয়েকটি নামি-দামি ক্লাব। যে দৌড়ে জুভেন্তাস ছাড়াও ছিল প্রিমিয়ার লীগের অন্যতম ফেভারিট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। তবে সবাইকে পেছনে ফেলে রেকর্ড দাম দিয়ে ডি লিটকে নিজেদের করে নিয়েছে জুভেন্তাস। গোল করা নয়, গোল আটকানোই তার ডি লিটের প্রধান কাজ। তার পরও দলের প্রয়োজনে তিনি প্রতিপক্ষের জাল ঠিকই ভেদ করেন। আয়াক্সের হয়ে ১১টি চ্যাম্পিয়ন্স লীগে অংশ নিয়েছেন তিনি।

তার আগে দামি খাতায় নাম লেখানো ফেলিক্সও অনেকটা হুট করেই আলোচনার টেবিলে জায়গা করে নেন। পর্তুগালের হয়ে ২০১৭ সাল থেকে অনূর্ধ্ব-২১ দলে খেলছেন তিনি। সেখানে তার ফুটবলশৈলী দেখে অনেকেই মুগ্ধ হয়েছেন। এরই মধ্যে তাকে পর্তুগালের জুনিয়র রোনালদো হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এরপর জাতীয় দলেও তার অভিষেক হয়। এ বছর উয়েফা নেশনস লীগের ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলনে নামেন এই তরুণ ফুটবলার।