সরে যেতে হচ্ছে হাথুরুসিংহেকে

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক

একাধিকবার গুঞ্জন উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে আসন্ন বাংলাদেশ সিরিজের পর চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আর শ্রীলংকার কোচ পদে থাকতে পারছেন না। তাকেসহ কোচিং স্টাফের বাকিদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রীলংকার ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো। ২৬ জুলাই থেকে শুরু বাংলাদেশ-শ্রীলংকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজই তার লংকান প্রধান কোচের শেষ দায়িত্ব। অবশ্য এরই মধ্যে তার বাংলাদেশ দলের কোচের পদে ফিরে আসার গুঞ্জনও চলমান।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে দশ দলের ষষ্ঠ হয় শ্রীলংকা। অনেক বড় প্রত্যাশা নিয়ে না গেলেও এমন পারফরম্যান্সে খুশি নন ক্রীড়ামন্ত্রী। দেশটির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, শ্রীলংকান দলের কোচিং স্টাফরা যেন সরে যান, ক্রিকেট বোর্ডকে এমন বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী। শ্রীলংকার কোচিং স্টাফে হাথুরুসিংহে ছাড়াও আছেন ব্যাটিং কোচ জন লুইস ও ফিল্ডিং কোচ স্টিভ রিক্সন। লুইস ও রিক্সনের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ছিল বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তবে হাথুরুসিংহের মেয়াদ আছে আরও ১৬ মাস। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলকে কোচিং করানো হাথুরুসিংহে অবশ্য নিজ দেশের ক্রিকেটে মেয়াদ সম্পন্নের সুযোগ পাচ্ছেন না বলেই জোর খবর। মন্ত্রীর বার্তার পর শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট শাম্মি সিলভা বলেন, 'আমরাও কোচিং স্টাফ পুনর্গঠন নিয়ে ভাবছি। কারও কারও কাজ কিন্তু সন্তুষ্ট হওয়ার মতোই। বিশ্বকাপের আগে একবার সবার কাজের মূল্যায়ন হয়েছিল। এখন বিশ্বকাপের পর আরেকবার হবে। মন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে আলাপের পর সবকিছু চূড়ান্ত হবে।' ক্রিকইনফোর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফিল্ডিং কোচ রিক্সনকে নিয়ে সন্তুষ্ট লংকান বোর্ড, তার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে চায় তারা। যদিও তিনি নিজে নাকি কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী নন। জানা গেছে, ক্রীড়ামন্ত্রীর কোচিং স্টাফ পুনর্গঠনের কেন্দ্রে আছে হাথুরুসিংহেকে না রাখার মনোভাব। একা তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেয়ে কৌশলগত কারণে সম্পূর্ণ কোচিং স্টাফের কথা বলা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া হাথুরুসিংহের সময় দলের পারফরম্যান্স যেমন-তেমন, তার চেয়ে বেশি চিন্তার দিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি। গত বছর এশিয়া কাপের পর তার কারণে অধিনায়কত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছিল অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজকে। কোচিং স্টাফের বাকি সদস্যদের সঙ্গেও নাকি হাথুরুসিংহের সুসম্পর্ক নেই। ভবিষ্যৎ-ভাবনায় এখনই তাই হাথুরুসিংহেকে সরিয়ে দিতে চান দেশটির নীতিনির্ধারকরা।