আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট

'দাপটের সঙ্গেই খেলবে বাংলাদেশ'

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ টেস্ট খেলে ১৯ বছর। প্রায় দুই দশকের এই জার্নিতে ১১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছে টাইগাররা। সাদা পোশাক আর লাল বলের এই খেলায় দেশে এবং বিদেশে ম্যাচ এবং সিরিজ দুটোই জিতেছে। সেদিক থেকে টেস্ট ক্রিকেটেও এখন অভিজ্ঞ দল বাংলাদেশ। এই ফরম্যাটে নবাগত আফগানিস্তানের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে টাইগারদের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলীয় প্রতিনিধি হয়ে এই বার্তাই দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, 'টেস্ট ক্রিকেটে যারাই ভালো খেলবে তারাই জিতবে। আমরা অভিজ্ঞতায় ওদের থেকে এগিয়ে আছি। আমরা ডমিনেট করে খেলার চেষ্টা করব। যেন প্রমাণ করতে পারি, ওদের চেয়ে আমরা ভালো দল এবং ভালো ক্রিকেট খেলি।'

বোলিংয়ে বাংলাদেশের মতো আফগানিস্তানেরও শক্তির জায়গা স্পিন। রশিদ খান, মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ নবিরা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে দারুণ বোলিং করেন। গত বছরই ভারতের দেরাদুনে রশিদ খানদের কাছে টি২০ সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। তবে টেস্ট ক্রিকেটে এই দাপুটে বোলিং নাও করতে পারে দলটি। এই ফরম্যাটে খেলার অভিজ্ঞতার একটা ব্যাপার থাকে। এ কারণেই বোলিংয়ে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন মিরাজ, 'আমাদের বোলারদের অনেক অভিজ্ঞতা। সাকিব ভাই ১৩-১৪ বছর ক্রিকেট খেলে ফেলেছেন। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তিনি। আর এক উইকেট নিলে তাইজুল ভাইয়ের একশ উইকেট হবে। আমারও এই ফরম্যাটে তিন-চার বছরের অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমি বলব, ওদের থেকে টেস্ট ক্রিকেটের আমাদের অভিজ্ঞতা বেশি। ওরা ওয়ানডে, টি২০-তে রান কম দিয়ে বিভিন্ন জায়গা বল করে থাকে। কিন্তু টেস্টে ধৈর্য সহকারে কতক্ষণ বল করতে পারবে, সেটা দেখার ব্যাপার। সেদিক থেকে আমরা অনেক এগিয়ে আছি।' গত বছর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক আফগানিস্তানের। এ বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছে একটি টেস্ট। এই দুই নবাগতের ম্যাচে জিতেছে আফগানিস্তান। মিরাজের কথাই হয়তো ঠিক, দুটি মাত্র টেস্ট খেলা আফগানরা ঢাকায় আসবে অভিজ্ঞ অর্জন করতে। টাইগার স্কোয়াডের এই তরুণ স্পিনারই চেষ্টা করবেন সফরকারীদের তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ দিতে। ডান হাতের তর্জনীতে শনিবার বলের আঘাত পেলেও ম্যাচ খেলতে সমস্যা নেই তার। গতকাল নির্বাচকদের অভয় দিয়েছেন তিনি।