বাংলাদেশ-নেপাল প্রীতি ম্যাচ

বায়ো-বাবলের মধ্যে থেকে জামালদের ক্যাম্প

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সামনে রেখে আবারও এক ছাদের নিচে আসছেন ফুটবলাররা। ১৩ ও ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ৩৬ ফুটবলার আগামীকাল রিপোর্ট করবেন। এবার তিন ধাপে করোনা পরীক্ষা দিতে হবে আশরাফুল ইসলাম রানা-তপু বর্মণদের। প্রথমে ব্যক্তি উদ্যোগে, এরপর ঢাকায় হোটেলে ওঠার আগে আরেকটি আর সর্বশেষ করোনা পরীক্ষা হবে ম্যাচের ৭২ ঘণ্টা আগে। প্রধান কোচ জেমি ডে ও ফিনল্যান্ড প্রবাসী ফুটবলার তারিক কাজী দেশে আসবেন ২৮ অক্টোবর, পরদিন ফিরবেন অধিনায়ক জামাল ভুইয়া। অনুশীলন ও খেলার দিনগুলোয় হোটেল থেকে সরাসরি মাঠে যেতে হবে খেলোয়াড়দের। এর বাইরে অন্য কোথাও যেতে পারবেন না তারা। করোনা মহামারির মধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ক্রিকেট যেভাবে চলছে, সেভাবে রাখা হবে বাংলাদেশ ও সফররত নেপালকে। যেটিকে বলা হচ্ছে বায়ো-সিকিউর বাবল।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত মার্চ থেকে দেশের অনেক খেলাই বন্ধ আছে। নিউ নরমাল সময়ে বিসিবি ক্রিকেটে ফিরেছে, তেমনি আরও কয়েকটি ফেডারেশন খেলা শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত দেশে কোনো আন্তর্জাতিক খেলা হয়নি। তাই ম্যাচের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে মাঠে ফুটবল ফেরার আনন্দটাই বেশি জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সহসভাপতি কাজী নাবিল আহমেদের। গতকাল অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই ঘোষণা দিতে পেরে আমি খুশি যে, আমরা ম্যাচ খেলব। ফুটবল একার খেলা নয়, পুরো টিমের খেলা। আমরা জেতার জন্য খেলব। তবে জয়ই মুখ্য নয়। এখানে ফুটবলকে মাঠে ফিরিয়ে আনাটাও বড় বিষয়।' খেলোয়াড়দের যতদূর সম্ভব বিচ্ছিন্ন (আইসোলেটেড) করে রাখার ভাবনার কথা জানিয়ে জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, 'কভিড টেস্ট করে ক্যাম্পে আসবে সবাই। কোথায় করাবে তা আমরা অনুমোদন করে দেব। আসার পরে আরও দু-তিনবার পরীক্ষা হবে তাদের। যতটা পারা যায় আইসোলেটেড রাখতে হবে। নেপাল দলেরও একই অবস্থা হবে। এ নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা আছে। সেখানে অনেক নির্দেশনা পাওয়া যাবে। সংশ্নিষ্ট সবাই সেখানে থাকবেন। তারা ভালো বুঝবেন। তখন বাস্তবায়ন করা যাবে সবকিছু।'