নাজমুল-মাহমুদুল্লাহ ফাইনাল

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২০

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নাজমুল-মাহমুদুল্লাহ ফাইনাল

গতকাল মিরপুরে নাজমুল একাদশের বিপক্ষে ৫ উইকেট শিকারি সাইফউদ্দিনের উচ্ছ্বাস -বিসিবি

ফাইনালে উঠতে হলে জিততেই হতো তামিম একাদশকে। লক্ষ্যটাও খুব বড় ছিল না। ৪১ ওভারে করতে হতো ১৬৪ রান। কিন্তু অধিনায়ক তামিম ইকবাল ৫৭ রান করে দিলেও আর কেউ প্রয়োজনীয় অবদান রাখতে পারেননি। যে কারণে নাজমুল একাদশের কাছে গতকাল ৭ রানে হেরে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে তামিমের দল। ফাইনালে উঠে গেছে চার ম্যাচের তিনটিতে জয়ী নাজমুল একাদশ আর দুটিতে জয়ী মাহমুদুল্লাহ একাদশ। করোনাকালে আয়োজিত টুর্নামেন্টটির শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল।

গতকাল শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে তামিম একাদশ মাঠে নেমেছিল ব্যাকফুটে থেকে। আগের তিন ম্যাচের মধ্যে জয় ছিল কেবল নাজমুল একাদশের বিপক্ষে, বিপরীতে নাজমুল একাদশের ছিল তিন ম্যাচের দুটিতে। খেলা শুরুর পর বৃষ্টিতে বেশ কিছুটা সময় খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ৪১ ওভারে। যেখানে ৩৯.৩ ওভার খেলে ১৬৫ রান তোলে নাজমুল একাদশ। এর মধ্যে ২৫ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর মুশফিকুর রহিম আর আফিফ হোসেন ধ্রুবর ৯০ রানের জুটিরই অবদান বেশি। মুশফিক ৭৫ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৫১ আর আফিফ ৬১ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন।

তামিম একাদশের পক্ষে ৮.৩ ওভার বল করে ২৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন সাইফউদ্দিন। এ ছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান তিনটি ও মেহেদী হাসান দুটি উইকেট নেন। রান তাড়ার শুরুর দিকে এনামুল হক বিজয়কে হারালেও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে ভালো জুটি গড়ে তোলেন তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৮ রানের জুটি হওয়ার পর অঙ্কন আউট হয়ে গেলেও তামিম ছিলেন দলের রান একশ পার হওয়া পর্যন্ত। ১০১ রানের মাথায় তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে তামিম আউট হন ৫৮ বলে ৭ চারে সমৃদ্ধ ৫৭ রানের ইনিংস নিয়ে।

এরপর খেই হারিয়ে ফেলে তার দলের মিডল অর্ডার। মোসাদ্দেক হোসেন, ইয়াসির আলী রাব্বিরা ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। মোহাম্মদ মিঠুন কিছু সময় হাল ধরে রেখেছিলেন। তবে ৩২ বলে ২৯ রান করে তিনিও আউট হয়ে যান জয়ের থেকে ১৬ রান দূরত্বে থাকাবস্থায়। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে সৌম্যকে একটি ছয় হাঁকিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সাইফউদ্দিন। তবে আরেকটি হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হলে দলের পরাজয় নিশ্চিত হয় তার দলের।