মোনাকোর বুড়োদের কাছে পিএসজির হার

প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক

হকিলিয়ান এমবাপ্পের দাপটে মনে হচ্ছিল লিগ ওয়ানে টানা নবম জয় পেতে যাচ্ছে পিএসজি। ৩৭ মিনিটেই দুই গোল করে বসেন ফরাসি এই স্ট্রাইকার। কিন্তু মোনাকোর দুই বুড়ো সেস ফাব্রেগাস ও কেভিন ভল্যান্ডের মনে ছিল অন্য কিছু। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও এই দু'জনের নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় তুলে নেয় মোনাকো। চোট কাটিয়ে ফেরা নেইমার বদলি হিসেবে নেমেও কিছু করতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে যেন মোকানোর পুনর্জন্ম ঘটে। আর এই পরিবর্তনটা আসে ফাব্রেগাস মাঠে নামার পর। ৪৬ মিনিটে মাঠে নেমেই নিজের জাত চেনাতে শুরু করেন স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার। তাকে পেয়ে যেন মোনাকো যেন সঞ্জীবনী শক্তি খুঁজে পায়। ৩৪ বছর বয়সী এ তারকাকে পাশে পেয়ে জ্বলে ওঠেন আরেক অভিজ্ঞ ভল্যান্ডও। জার্মান এই স্ট্রাইকারকে কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার উত্তরসূরি হিসেবে ভাবা হলেও জাতীয় দল ও ক্লাবে তেমন কিছুই করতে পারেননি। ফাব্রেগাসের যেমন আর্সেনাল, বার্সেলোনা, চেলসি ঘুরে এখন মোনাকোতে ঠাঁই হয়েছে, একই অবস্থা ভল্যান্ডেরও। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ভল্যান্ডের হেড দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়েছিলেন পিএসজি গোলরক্ষক নাভাস; কিন্তু তাকে বেশিক্ষণ ঠেকিয়ে রাখা যায়নি। ৫২ মিনিটে ঠিকই তিনি পিএসজির জালে বল পাঠান। ৬৫ মিনিটে ফাব্রেগাসের একটি দারুণ ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিতে গোললাইন থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন নাভাস; কিন্তু বলের নাগাল পাননি। এই সুযোগে ফাঁকা পোস্টে বল ঠেলে ম্যাচে সমতা ফেরান ভল্যান্ড। ৮৪ মিনিটে এই ভল্যান্ডকেই বক্সের মধ্যে পিএসজি ডিফেন্ডার দিয়ালো ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় মোনাকো। স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করে মোনাকোকে দারুণ এক জয় এনে দেন ফাব্রেগাস।

অথচ কী দারুণভাবেই না শুরু করেছিল পিএসজি। ২৫ মিনিটে দুরন্ত গতিতে মোনাকো রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে প্রথম গোলটি করেন এমবাপ্পে। ৩৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান ২-০-তে নিয়ে যান ২১ বছর বয়সী এ তারকা। প্রথমার্ধের পরবর্তী আট মিনিটে আরও দু'বার মোনাকোর জালে বল পাঠিয়েছিলেন এমবাপ্পে ও ময়সে কিন। কিন্তু অফসাইডের কারণে দু'বারই বাতিল হয় গোল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে অন্য মোনাকোকে দেখে ফুটবলপ্রেমীরা।