নতুন বল হাতে নিয়েই দুই ইংলিশ ওপেনারকে বিদায় করে দিয়েছিলেন লাসিথ এম্বুলদানিয়া। তবে জো রুট দারুণ দক্ষতায় দিনের বাকিটা সময় সামলেছেন লঙ্কান স্পিনারদের। সুইপ ও রিভার্স সুইপে স্বাগতিকদের নাস্তানাবুদ করেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। ৭৭ বলে ১০ চারে ৬৭ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার ৩৮১ রানের জবাব দিতে নেমে তার দাপটেই দ্বিতীয় দিন শেষে দুই উইকেটে ৯৮ রান তুলেছে ইংল্যান্ড। তাই বলে সফরকারীদের বিপদ শেষ হয়ে যায়নি। ২৮৩ রানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের লড়াইটা রুটের ওপরই নির্ভর করছে। দ্বিতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থানের জন্য লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। বর্ষীয়ান পেসার জেমস অ্যান্ডারসনের দারুণ বোলিং সত্ত্বেও তারা পোনে চারশর বেশি রান তুলেছে। অ্যান্ডারসন ছয় উইকেট পেলেও দুই ইংলিশ স্পিনার ডম বেজ ও জ্যাক লেচকে তারা সফল হতে দেননি। সেঞ্চুরি নিয়ে অপরাজিত থাকা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ দিনের শুরুতেই অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। সপ্তম উইকেটে নিরোশান ডিকওয়েলা ও দিলরুয়ান পেরেরা রুখে দাঁড়ান। তাদের ৮৯ রানের জুটিও ভাঙেন ৩৮ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন। এরপর অনেকটা একক প্রচেষ্টায় দলকে এগিয়ে নেন দিলরুয়ান। লঙ্কানদের ইনিংস আর বড় হয়নি কেবল অ্যান্ডারসনের কারণে। বর্ষীয়ান এই পেসার ক্যারিয়ারের ৩০তম বারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। গলের স্পিন সহায়ক উইকেটে ২৯ ওভার বোলিং করে মাত্র ৪০ রান দিয়ে ছয় উইকেট নিয়েছেন তিনি। দেশের বাইরে এটাই তার সেরা বোলিং ফিগার। আর এশিয়ার মাটিতে সবচেয়ে বেশি বয়সী পেসার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

শ্রীলঙ্কা :৩৮১ (ম্যাথুজ ১১০, ডিকওয়েলা ৯২, দিলরুয়ান ৬৭, চান্দিমাল ৫২; অ্যান্ডারসন ৬/৪০, উড ৩/৮৪)।
ইংল্যান্ড :৯৮/২ (রুট ৬৭*, বেয়ারস্টো ২৪*; এম্বুলদানিয়া ২/৩৩)।

মন্তব্য করুন