ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সালাউদ্দিনের

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ক্রীড়া প্রতিবেদক

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধন করতে আসা বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকে কথা বলতে হয়েছে ঘরোয়া ফুটবলে আলোচিত বিষয় ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে। তার সময়ে অনেক ক্লাবের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ উঠেছে এবং শাস্তিও পেয়েছে কয়েকটি ক্লাব। তাই গতকাল ম্যাচ ফিক্সিং প্রসঙ্গ উঠতেই সালাউদ্দিন বলে দিলেন, এ ব্যাপারে আপসহীন থাকবেন তিনি।

ঘরোয়া ফুটবলে পাতানো ম্যাচের রোগটা পুরোনো। অতীতে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে অনেক ক্লাবকেই শাস্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তবে এবারের পাতানো ম্যাচের পদ্ধতিতে একেবারেই নতুন বাংলাদেশের ফুটবলে। অনলাইন বেটিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের বিপক্ষে। সেই অভিযোগ এসেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) থেকে। মোট পাঁচটি ম্যাচ নিয়ে সন্দেহ করে এএফসি। এরই মধ্যে ব্রাদার্স ও আরামবাগকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয়ে জবাব চেয়েছে বাফুফে। সোমবার বাফুফেকে চিঠির জবাব দিয়েছে ব্রাদার্স। গতকাল দিয়েছে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। চিঠি দেওয়ার আগেই ম্যাচ পাতানো নিয়ে নিজের অবস্থান জানান সালাউদ্দিন, 'ফিক্সিং, বর্ণবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে বাফুফের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাকে বহিস্কার করা হবে।'

সাফ ও এএফসির বয়সভিত্তিক (অনূর্ধ্ব-১৫ ও ১৬) প্রতিযোগিতার জন্য বাফুফে অনূর্ধ্ব-১৫ পর্যায়ে দেশব্যাপী ট্রায়াল করেছে। এখন কমলাপুর স্টেডিয়ামে চলছে চূড়ান্ত বাছাই। ভবিষ্যৎ ফুটবলার তৈরির অংশ হিসেবে প্রতিভা অন্বেষষ কর্মসূচি চলবে তিন দিন। বাছাই করা ফুটবলারদের জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই ফেডারেশন করবে বলে জানান সালাউদ্দিন, 'এভাবে কর্মসূচি চালিয়ে গেলে চার-পাঁচ বছর পর অনেক ভালো মেধাবী ফুটবলার পাওয়া যাবে। তরুণ ফুটবলাররা যদি ধৈর্য ধরে ফুটবলের সঙ্গে থাকতে পারে বাফুফেও তাদের ধরে রাখবে।'