সাত মাস আগে যে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল পিএসজির, বুধবার রাতে তাদের পেয়ে ভালোই জ্বলে ওঠে প্যারিসের ক্লাবটি। যদিও জয়টা ৩-২ গোলের, তবু স্বস্তির। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে ওঠার কাজটা কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখলেন নেইমার-এমবাপ্পেরা।

= দ্রুততম এমবাপ্পে

১৪৮ সেকেন্ডেই গোল করে বসেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৭ সালে দানি আলভেজ ৮৪ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন। তার পর বায়ার্নের বিপক্ষে এমবাপ্পের গোলটাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দ্রুততম। ৬৮তম মিনিটে আরেক গোল আসে এমবাপ্পের পা থেকে। যদিও ম্যাচের পর এমবাপ্পে জয়ের জন্য দলগত পারফরম্যান্সকেই বড় করে দেখেছেন, 'বায়ার্ন এ মুহূর্তে ইউরোপের সেরা টিম। তাদের বিপক্ষে খেলাটা আসলেই কঠিন ছিল। তবে এটা প্রথম ম্যাচ। এখানে জেতায় আমাদের আত্মবিশ্বাসটা বেড়েছে। পরের ম্যাচেও আমরা ভালো করতে চাই। এটা পুরোই দলগত অর্জন।'

= লেভার অভাব বুঝেছে বায়ার্ন

ইনজুরির কারণে রবার্ট লেভানডস্কিকে ছাড়াই নামতে হয় বায়ার্ন মিউনিখকে। তাতে আক্রমণভাগে একটু এলোমেলো দেখা যায় বাভারিয়ানদের। তবে সুযোগ ঠিকই তৈরি করেছিল বায়ার্ন। পুরো সময় পিএসজির গোলমুখে ৩১ শট নেয় তারা। যার মধ্যে ১২টি শট টার্গেটমতো যায়। কিন্তু দশটি ছিল গোল না হওয়ার মতোই। পুরো ম্যাচে আলো কাড়েন বায়ার্নের মুলার। যদিও ৩৭তম মিনিটে চুপো মোটিং স্বাগতিকদের প্রথম সাফল্য উপহার দেন। আর ৬০তম মিনিটে মুলারের দারুণ গোল বায়ার্নকে লড়াইয়ে ফেরার পথ দেখায়। শেষ পর্যন্ত সেই পথ ধরে এগোতে পারেনি জার্মান ক্লাবটি। তবে দুই গোল করায় পিএসজির সঙ্গে হিসাবটা করার সুযোগ পাবে বায়ার্ন। ফিরতি লেগ পিএসজির মাঠে। ঘরের মাঠে পচেত্তিনোর দল কিছুটা ভয়ংকর হওয়ারই কথা। তবু আশায় থাকতে পারে বায়ার্ন।

=কাজটা এগিয়ে রাখল চেলসি

অ্যাওয়ে গোলের হিসাবে জুভদের স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টারে উঠে যায় পোর্তো। ড্রয়ে তাদের সামনে পড়ে প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম ফেভারিট চেলসি। প্রথম পরীক্ষায় এবার ফেল করেই বসল পর্তুগিজের ক্লাবটি। করোনা বাধায় নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়া কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বুধবার রাতে পোর্তোকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ব্লুজরা। চেলসির হয়ে একটি করে গোল করেন ম্যাসন মাউন্ট ও বেন চিলওয়েল। দুই গোলে এগিয়ে থাকায় ফিরতি লেগে চেলসির কাজটা সহজ হয়ে গেল। বিপরীতি বড় ব্যবধানে না জিতলে কাটা পড়বে পোর্তো।

মন্তব্য করুন