প্রত্যাশা ছিল হাই স্কোরিং ম্যাচের। কিন্তু উইন্ডিজ ব্যাটাররা ঝড় তুলতে পারেননি দুবাইয়ে। ইংল্যান্ডের স্পিনারদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি কিয়েরন পোলার্ডের দল। গুটিয়ে যায় মাত্র ৫৫ রানে; যা টি২০ বিশ্বকাপে ক্যারিবীয়দের সর্বনিম্ন রানের লজ্জা। ক্রিকেটের ক্ষুদ্র সংস্করণের এ আসরে এই প্রথম ১০০ রানও করতে পারেনি উইন্ডিজ। গতকাল সুপার টুয়েলভের দ্বিতীয় ম্যাচে ক্যারিবীয়দের লজ্জায় ডুবিয়ে দারুণ প্রতিশোধ নিল ইংলিশরা। আগের পাঁচবারের সব ক'টিতে হারা ইয়ন মরগানের দল শনিবার জিতল ৬ উইকেটে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫৬ রানের টার্গেট ৮.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তাড়া করে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।

সর্বশেষ ২০১৬ বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্টের লড়াই এতটা একপেশে হবে, তা ভাবেননি কেউই। ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, আন্দ্রে রাসেলদের মতো হার্ডহিটাররা পারেননি নিজেদের মেলে ধরতে। অথচ ইনিংসের ষষ্ঠ বলে মঈন আলিকে উড়িয়ে লুইস ছয় মারলে ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত মেলে। কিন্তু ক্রিস ওকসের বলে দ্বিতীয় ওভারে লুইস আউট হলে বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলীয় ৩৭ রানের মধ্যে হেটমেয়ার, গেইল, ব্রাভোসহ পাঁচ ব্যাটার আউট হলে নিজেদের সর্বনিম্ন রানে অলআউটের রেকর্ডটি চোখ রাঙাচ্ছিল ক্যারিবীয়দের। ২০১৯ সালের ৮ মার্চ সেন্ট কিটসে এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল তারা। শেষ পর্যন্ত সেই রান টপকে যায় তারা। এদিন ক্যারিবীয়দের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে ওঠেন দুই স্পিনার আদিল রশিদ ও মঈন আলি। তাদের সঙ্গে পেসার টাইমাল মিলস। ২.২ ওভারে মাত্র ২ রানে ৪ উইকেট নেন আদিল; যা টি২০ বিশ্বকাপে কোনো ইংলিশ বোলারের সেরা বোলিং ফিগার। মঈন ও মিলস নেন সমান ২টি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

উইন্ডিজ :৫৫/১০; ১৪.২ ওভার (গেইল ১৩, হেটমেয়ার ৯, লুইস ৬, আকিল ৬*; রশিদ ২/৪, মঈন ১৭/২, মিলস ১৭/২, জর্ডান ১/৭, ওকস ১/১২)
ইংল্যান্ড :৫৬/৪; ৮.২ ওভার (বাটলার ২৪*, রয় ১১; আকিল ২৪/২)
ফল:ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী

মন্তব্য করুন