কুইন্টন ডি ককের সরে দাঁড়ানোটা প্রোটিয়াদের ওপর তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। দাপটের সঙ্গেই চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে তারা। উইন্ডিজের ৮ উইকেটে করা ১৪৩ রান মাত্র ২ উইকেট খুইয়ে ১০ বল হাতে রেখে টপকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। শিরোপাধারী উইন্ডিজের এটা টানা দ্বিতীয় হার।

দুবাইয়ের যে উইকেটে উইন্ডিজ ওপেনার লেন্ডল সিমন্স ৩৫ বলে ১৬ রান করেছেন, সেখানেই ২৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এইডেন মার্করাম। এখানেই পার্থক্যটা হয়েছে। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই অধিনায়ক বাভুমাকে হারিয়েছিল প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় উইকেটে ডি ককের বদলে একাদশে আসা রেজা হেনড্রিকস ও ফন ডার ডুসেন ৫৭ রান যোগ করে বিপদ সামাল দেন। ৩০ বলে ৩৯ রান করে হেনড্রিকস আউট হলে উইকেটে আসেন মার্করাম। তিনি আর কোনো উইকেটই পড়তে দেননি। ছয় মেরে স্কোর লেবেল করার পাশাপাশি নিজের হাফসেঞ্চুরিও পূরণ করেন মার্করাম। পরের বলেই সিঙ্গেলস নিয়ে সুপার টুয়েলভে প্রোটিয়াদের প্রথম জয় এনে দেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে ডুসেন ও মার্করাম ৯ ওভারে অবিচ্ছিন্নভাবে ৮৩ রান যোগ করেন। মার্করাম ২৬ বলে চারটি ছক্কা ও দুটি চারে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন।\হবল হাতেও অবদান রাখেন মার্করাম। বোলিংয়ের সূচনা করতে নেমে এই অফস্পিনার একটি মেডেন ওভারও নিয়েছেন। তবে আসল কাজটা করেছেন পেসার আনরিখ নরখিয়া। চার ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে আন্দ্রে রাসেলকে বোল্ড করেছেন তিনি। মিতব্যয়ী বোলিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি। ভালো বোলিং করেছেন স্পিনার কেশভ মহারাজও। তাদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের জন্যই ওপেনার এভিন লুইসের ছয় ছক্কায় ৩৫ বলে ৫৬ রানের ইনিংসের পরও বড় স্কোর দাঁড় করাতে পারেনি উইন্ডিজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :ওয়েস্ট ইন্ডিজ :২০ ওভারে ১৪৩/৮ (লুইস ৫৬, পোলার্ড ২৬, সিমন্স ১৬, পুরান ১২, গেইল ১২; প্রিটোরিয়াস ৩/১৭, মহারাজ ২/২৪, নরখিয়া ১/১৪)

দক্ষিণ আফ্রিকা :১৮.২ ওভারে ১৪৪/২ (মার্করাম ৫১*, ডুসেন ৪৩*, হেনড্রিকস ৩৯; আকিল ১/২৭)

ফল :দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে জয়ী

মন্তব্য করুন