শুরুটা আগের মতো না হলেও শেষটা ছিল নিখুঁত। শোয়েব মালিকের ছোটখাটো ঝড়ে কিউই পরীক্ষায় পাস মার্কসটা ঠিকই তুলে নেয় পাকিস্তান। শারজাহতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৮ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে পাকিস্তান।

এ দিন শারজাহতে শুরুটা ভালোই করেছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু বিগহিটার মার্টিন গাপটিলকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে তারা। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় হারিস রউফের ১৪৮ গতির ডেলিভারিতে উড়ে যায় গাপটিলের স্টাম্পের বেল। তাতে ছক্কার রেকর্ডও ছোঁয়া হয়নি তার। টি২০-তে ১৪৭ ছক্কা তার নামের পাশে। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকাতে পারলে ছক্কার ১৫০ হতো। কিন্তু হারিস রউফের কারণে সেটা হয়নি।

এছাড়া টি২০-তে নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫০তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন কেন উইলিয়ামসন। যেটা কিউইদের হয়ে এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ। তার চেয়ে কম দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবে ২৮ টি২০ ম্যাচে দলনেতার দায়িত্ব পালন করেন ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম। একই সমান ম্যাচে ক্যাপ্টেন্সি করেছেন ড্যানিয়েল ভেট্টরি। এমন রেকর্ডের ম্যাচে ভাগ্য যেন তার পাশে ছিল না। ব্যক্তিগত ২৫ রানের মাথায় রান আউটে কাটা পড়েন এই কিউই তারকা। তার আগে পাওয়ার প্লেতে হাত খুলেই ব্যাটিং করেন নবাগত ড্যারি মিশেল। এটাই তার প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ। তবে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ২০ বলে করেন ২৭ রান। যা সাজানো ছিল ২ ছক্কা আর ১ চারে। ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে টি২০ অভিষেক হয় মিশেলের। সে থেকে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১৬টি ম্যাচ। যেখানে রান মাত্র ১৭৫।

যাত্রাতে ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ছন্দে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি তারা। দিনের প্রথম মুদ্রা লড়াইয়ে জিতে আগের ম্যাচের মতোই বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : নিউজিল্যান্ড :১৩৪/৮ (কনওয়ে ২৭, উইলিয়ামসন ২৫; রউফ ৪/২২)। পাকিস্তান :১৮.৪ ওভারে ১৩৫/৫ (মালিক ২৭*, রিজওয়ান ৩৩; শোধি ২/২৯)। ফল :পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা :হারিস রউফ।

মন্তব্য করুন