করোনার কারণে ২০২০ সালের ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল ফ্রান্স ম্যাগাজিন। তাতেই যেন কপাল পুড়ল রবার্ট লেভানডস্কির। না হলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ ছিল না তখন। একাই দাপট দেখানে পুরো বছর। যেটা লিওনেল মেসিও বিশ্বাস করেন। তাই তো নিজের সপ্তম ব্যালন ডি'অর পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর লেভাকে নিয়ে কথা বলেছেন। তুলে এনেছেন ২০২০ সালের কিছু স্মৃতিও, সঙ্গে প্রশংসা তো ছিলই, 'রবার্ট, তুমি এই পুরস্কারের (ব্যালন ডি'অর) যোগ্য, গত বছর সবাই তোমার এই পুরস্কার জয়ের ব্যাপারে একমত ছিল।'

বার্সা ছেড়ে পিএসজিতে আসার পর অনেকে বলেছিলেন মেসি পথ খুঁজে পাবে না। সে বেশিদিন প্যারিসে থাকতে পারবে না। এমনসব কথার মাঝে এ দিন প্যারিসে যে তিনি খুশি আছেন সেটাও জানিয়েছেন, 'আজ আমি প্যারিসে, এখানে সত্যিই আমি খুব খুশি। আমি নিয়মিত নতুন কিছুর জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। জানি না, এখানে কতদিন থাকা হবে, তবে সময়টা এখন উপভোগ করছি। ধন্যবাদ বার্সার, পিএসজি ও আর্জেন্টিনার সতীর্থদের।'

তিন ক্লাবের সতীর্থদের ধন্যবাদ দিতেই পারেন মেসি। যে বার্সার হয়ে তিনি বর্ণিল সময় পার করেছেন। সেটা চাইলেও ভুলতে পারবেন না তিনি। হয়তো সময়ের পরিক্রমায় বদলে গেছে তার পথ, তবু বার্সা এখনও তার মনে। ব্যালন ডি'অরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তেমনটাই যেন বলতে চেয়েছেন মেসি।'

তবে মেসির মনের মণিকোঠায় সবচেয়ে বড় জায়গাজুড়ে আছে আর্জেন্টিনা। যে জার্সি পরে বারবার তিনি হোঁচট খেয়েছেন। হতাশ হয়ে মাঠ ছেড়েছেন। সেই জার্সিই তাকে এনে দিল আরাধ্যের ট্রফি। যার প্রতিক্ষায় মেসি একা নন, পুরো আর্জেন্টিনাই ছিল। তাই তো স্বদেশি সতীর্থদের অবদানটা আলাদাভাবে মনে করলেন তিনি, 'আমি স্পেশাল ধন্যবাদ দেব আর্জেন্টিনার কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের। দিন শেষে এই অর্জনের পেছনে বড় প্রভাব কোপা আমেরিকা জয়।' অনেকটা তেমনই কোপা আমেরিকা জয়ের কারণেই সবার দৃষ্টি কাড়েন মেসি। ফাইনালে ব্রাজিলের মতো শক্ত দলকে হারিয়ে জেতের শিরোপা।

মন্তব্য করুন