স্টেক হোল্ডারদের বৈঠক

সাধারণের আইপিও কোটা বৃদ্ধির তাগিদ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা আরও ১০ শতাংশ বাড়িয়ে আইপিও বিধান সংশোধনের প্রস্তাব করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। শেয়ারবাজারের প্রধান চার স্টেকহোল্ডার তা আরও ১০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করতে একমত হয়েছে। এ জন্য মিউচুয়াল ফান্ড ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) অংশ কমানোর প্রস্তাব করবেন তারা।

এ ছাড়া আইপিও-পূর্ব প্লেসমেন্ট শেয়ারে লক-ইন কমপক্ষে দুই বছর করার পক্ষে মত দিয়েছেন স্টেকহোল্ডাররা। তা ছাড়া নির্দিষ্ট মূল্য পদ্ধতির ক্ষেত্রে আইপিও আকার কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকার পরিবর্তে ৩০ কোটি টাকা এবং বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ১০০ কোটি টাকার পরিবর্তে ৭৫ কোটি টাকা করার বিষয়েও একমত পোষণ করেছেন তারা।

আইপিও বিধানে সংশোধন আনার বিষয়ে বিএসইসির প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে প্রধান স্টেকহোল্ডারগুলো একই রকম মতামত পাঠাতে মতৈক্যে পৌঁছাতে এ বৈঠক করে। গতকাল মঙ্গলবার ডিএসই ও সিএসই, ডিএসইর ব্রোকারদের সংগঠন ডিবিএ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএর নেতাদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। মতিঝিলে ডিএসই কার্যালয়ে এ বৈঠকে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান, সিএসইর পরিচালক ছায়েদুর রহমান, ডিবিএর সভাপতি শাকিল রিজভী, বিএমবিএর সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরীসহ সংশ্নিষ্টরা অংশ নেন। বৈঠকে স্টেকহোল্ডারদের প্রতিনিধিরা বলেন, বিদ্যমান বাস্তবতায় আইপিওর নূ্যনতম আকার ৫০ কোটি টাকা করা যৌক্তিক হবে না। কারণ, দেশে বড় মূলধনী কোম্পানির সংখ্যা কম। এভাবে আইন করা হলে আইপিও কমে যাবে, তাতে শেয়ারবাজারের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। এ জন্য বিএসইসির প্রস্তাবটি সংশোধন করতে মতামত দেবে স্টেকহোল্ডাররা।

আইপিওতে মিউচুয়াল ফান্ড ও এনআরবি কোটা কমানোর বিষয়ে বৈঠকে সংশ্নিষ্টরা বলেন, মিউচুয়াল ফান্ডগুলো বাজারে কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। তা ছাড়া এনআরবি কোটায় ভুয়া আবেদন পড়ছে। এটা নিরুৎসাহিত করতে কমিশনকে তারা প্রস্তাবটি সংশোধনের সুপারিশ করবেন। প্লেসমেন্ট শেয়ারে লক-ইন ইস্যুতে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে কিছুটা ভিন্ন মত রয়েছে। ডিএসই এ ক্ষেত্রে বিএসইসির প্রস্তাব অনুযায়ী লক-ইন তিন বছর করার পক্ষে। এ ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএ তা দুই বছর বা অন্তত দুটি এজিএম সম্পন্ন করা পর্যন্ত রাখতে চায়।