এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সোয়েটার কারখানা ড্রাগন সোয়েটারকে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে দেশে-বিদেশে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে। জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে ক্রেতাদের শোরুমের সামনে ব্যানার নিয়ে অকারণে অপপ্রচার চালাচ্ছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। এতে ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলো বিব্রত হচ্ছে। ড্রাগন সোয়েটারের পাশাপাশি বাংলাদেশের পোশাকের বিষয়ে বিরূপ বার্তা যাচ্ছে ক্রেতাদের কাছে। দেশেও অহেতুক ঝাড়ূ মিছিল করা হয়েছে।

ড্রাগন সোয়েটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, কারখানা পরিচালনায় কোনো রকম অনিয়ম নেই। যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি উৎপাদন হচ্ছে। নিয়মিত বেতন-ভাতাও পাচ্ছেন শ্রমিকরা। এমনকি করোনাকালে কারখানা তিন মাস বন্ধ রাখা হলেও নিয়মিত বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। এর পরও একটি শ্রমিক সংগঠনের উস্কানিতে কিছু শ্রমিক-কর্মচারী কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা থেকে এমন ষড়যন্ত্র করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, নিতান্ত ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কোনো সমস্যা থাকলে বিক্ষুব্ধদের আদালতের আশ্রয় নেওয়া সুযোগ থাকার পরও বিদেশে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে, এটি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র।

জার্মানির হামবুর্গসহ বেশকিছু জায়গায় সম্প্রতি ড্রাগন সোয়েটারের একটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ১৮ শোরুমের সামনে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের কর্মীরা। কয়েকটি ব্যানারে লেখা ছিল- 'হামবুর্গ থেকে ঢাকা :ড্রাগন সোয়েটারের শ্রমিকদের সঙ্গে সংহতি'। এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, এশিয়ায় সোয়েটারের সবচেয়ে বড় কারখানা হচ্ছে ড্রাগন সোয়েটার। প্রায় সব দেশের বড় ব্র্যান্ডগুলো তাদের ক্রেতা। এ কারণে ষড়যন্ত্র হয়ে থাকতে পারে। ইউরোপভিত্তিক স্থানীয় পোশাক কারখানা ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে দেশের কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বলে তার দাবি।

মন্তব্য করুন