শ্রীমঙ্গলে আরিফ হত্যায় পাল্টাপাল্টি তদন্ত দাবি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৭

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাজীপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী আরিফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন চলছে। একপক্ষ অন্যপক্ষকে হত্যাকাণ্ডের দায় চাপাতে তিন দফা সংবাদ সম্মেলন করেছে। এ নিয়ে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গল প্রেস ক্লাবে উভয়পক্ষ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
গত ২৪ জুন হাজীপুর গ্রামের আরবেশ আলী ও আবদুল খালিকের পরিবারের নারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর আগে একই গ্রামের সঞ্জব আলী হত্যাকাণ্ড নিয়ে আরেকটি মামলা হয়। ওই মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসা আসামি আরবেশ আলীর লোকজন উত্তেজিত হয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে প্রতিপক্ষের বাড়িতে। বাদীপক্ষ আবদুল খালিকসহ অন্যরা হামলা প্রতিহত করেন। এ ঘটনায় পিটিয়ে আরিফ নামে এক প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিজেরা হত্যা করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষ শ্রীমঙ্গল প্রেস ক্লাবে গত ২ এবং ৩ জুলাই সংবাদ সম্মেলন করে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়। গত ৬ জুলাই মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবে বিবাদী পক্ষ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে সঞ্জব আলী হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বাবা, চাচা ও সহযোগীরা মিলে প্রতিবন্ধী আরিফকে হত্যা করে প্রতিপক্ষের ১৮ জনকে জড়িয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ অভিযোগ মামলার প্রধান আসামির ছেলে তোফায়েল আহমেদ উজ্জ্বলের।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগে জানান, গত ২৪ জুনের ঘটনায় আহতরা সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং একজন ভর্তি হন। তবে প্রতিবন্ধী আরিফকে পিটিয়ে আহত করে তাদের জনৈক নিকটাত্মীয় শামসুল হক তাৎক্ষণিক সিএনজি অটোরিকশায় বাড়ি থেকে চলে যায়। আহত আরিফকে রহস্যজনকভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয় ওই দিন রাত
১০টার দিকে।