হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার শতমুখা গ্রামের আতরপুরহাটিতে কালীমন্দির ও মূর্তি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ছয়টি মূর্তি, পূজার জন্য রক্ষিত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি, মন্দিরের দরজা-জানালায় ব্যাপক ভাংচুর করে ও ফিতলের সরঞ্জামাদি লুটপাট করে নিয়ে যায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলার শুভংপুর গ্রামের কালাই মিয়ার ছেলে জাক্কু মিয়া ও একই গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে নাজু মিয়াকে আটকের পর শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্দির কমিটির সভাপতি মহাপ্রভু দাস বানিয়াচং থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এতে ভাংচুরের ঘটনায় আটক নাজু মিয়াকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার এক প্রভাবশালীর নির্দেশে এক্সক্যাভেটরের মাধ্যমে মন্দিরের জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছিল জাক্কু, নাজুসহ ২০ জন লোক। এতে মন্দির পরিচালনা কমিটির লোকজন বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জাক্কুসহ অন্যরা এক্সক্যাভেটরটি মন্দিরের পাশে রেখে বাড়ি চলে যায়। মন্দিরের দরজা-জানালাসহ ছয়টি মাটির মূর্তি ভাংচুর করে পাশের খাদে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, মন্দির ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে আটক দু'জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

মন্তব্য করুন