আজাদের মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-আইন শহরে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় নিহত হন আজাদ মিয়া। আজাদ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের মৃত উস্তার মিয়ার ছেলে। মৃত্যুর এক মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত লাশ বাংলাদেশে আসেনি। আজাদকে শেষবারের মতো এক নজর দেখার জন্য আহাজারি করছেন পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের পরিবার ও প্রবাসী নেতারা বলেন, বাংলাদেশি হাইকমিশনের অবহেলার কারণে আজাদের লাশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা হাসপাতাল মর্গে এক মাস ধরে পড়ে আছে। ইউএইর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা লাশ দেশে পাঠানোর জন্য জোর দাবি জানালেও এগিয়ে আসেনি হাইকমিশন।

আজাদের অসুস্থ মা রোকিয়া বেগম বলেন, আজাদের বৈধ সব কাগজপত্র থাকার পরও সরকারের নিয়োগকৃত কর্মকর্তারা লাশ দেশে পাঠানোর ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। গত বছরের ২৬ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে যায় আজাদ। প্রবাসী নেতারা বলেন, ভিজিট ভিসায় আরব আমিরাতে গিয়ে দেশের চলমান আইন অনুযায়ী বিজনেস পেশায় (আকামা) আইডি লাগান আজাদ। পাশাপাশি কাজও শুরু করেন। গত ২৫ জুলাই আল-আইন শহরে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় নিহত হন আজাদ। পরে লাশ দেশে পাঠানোর জন্য সংযুক্ত আরত আমিরাতের জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান সাচ্চুর নেতৃত্বে একটি টিম হাইকমিশনের সঙ্গে দেখা করে। হাইকমিশন এই পেশার শ্রমিকের লাশ সরকারি খরচে দেশে পাঠাতে রাজি হচ্ছে না।