সড়ক ভেঙে দুর্ভোগ

ধর্মপাশা মধ্যনগর সড়ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০১৯      

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

বছর দুয়েক আগে ২০ কিলোমিটার সড়কের পুরোটাই ছিল যাতায়াতের অনুপযোগী। দুর্ভোগে ছিলেন যাত্রী সাধারণ। প্রায়ই ঘটত দুর্ঘটনা। গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নেওয়াটা ছিল সবচেয়ে কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু সড়কটি সংস্কার করায় এখন পুরোটাই পিচঢালা। তাই কোনো দুর্ভোগ থাকার কথা নয়। কিন্তু বছর খানেক ধরে ওই সড়কের একটি স্থানে মাত্র ১৫-২০ গজ ভেঙে যাওয়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। কখনও কখনও যানবাহন উল্টে ঘটছে দুর্ঘটনা। ধর্মপাশা-মধ্যনগর সড়কের সাড়ারকোনা ও গলইখালীর মধ্যবর্তী একটি স্থানে এ ভাঙা অংশটির অবস্থান।

২০১৭ সালের মাঝামাঝি নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) অধীনে ধর্মপাশা কংস নদের ওপর অবস্থিত সেতুর উত্তর পাশ থেকে মধ্যনগরের পিঁপাড়াকান্দা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার ধর্মপাশা-মধ্যনগর সড়কের সংস্কার কাজ করে শেখ হেমায়েত আলী রানা বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এক বছর পরই ওই সড়কের সাড়ারকোনা ও গলইখালীর মধ্যবর্তী স্থানের বেশ খানিকটা অংশ ভেঙে গেছে। এতে সেলবরষ, পাইকুরাটি, মধ্যনগর, চামরদানি, বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ, বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দাসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মধ্যনগর বাজারের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, এ সড়ক ব্যবহার করে মধ্যনগর হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা সহজে টাঙ্গুয়ার হাওরে যেতে পারেন। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়রা এ সড়কে চলাচল করতে গিয়ে সড়কের ভাঙা অংশে কখনও কখনও দুর্ঘটনার শিকার হন।

মধ্যনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদার বলেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের ভাঙা অংশটি অতি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন বলেন, জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সড়কের ভাঙা অংশটি দ্রুত সংস্কার করার জন্য সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।

নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার বলেন, গত মঙ্গলবার সড়কটি পরিদর্শন করে এসেছি। সড়কটির ভাঙা অংশ সংস্কারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।