বিয়ানীবাজার উপজেলাজুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। মাঘ মাসের হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। একই সঙ্গে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে সব বয়সের রোগীর সংখ্যা। এতে নির্ধারিত শয্যা ছাপিয়ে রোগীদের ঠাঁই হচ্ছে হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায়। ফলে শিশু রোগী ও তার স্বজনরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। নির্ধারিত শয্যা সংখ্যার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সেবিকারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০টি শয্যা ব্যবহার হচ্ছে করোনা আইসোলেশন ইউনিট হিসেবে। অবশিষ্ট ৪০টি শয্যায় প্রসূতিসহ অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা চলছে। শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েক দিন ধরে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। এর ফলে নির্ধারিত শয্যা ছাড়াও অস্থায়ী শয্যা পেতে রোগীদের মেঝে ও বারান্দায় সেবা দেওয়া হচ্ছে।

ঠান্ডাজনিত রোগে আন্তঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৮০ রোগী সেবা নিচ্ছেন এবং বহির্বিভাগে দেওয়া হচ্ছে পাঁচশর বেশি রোগীর চিকিৎসাসেবা।

বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান জানান, হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যা সংখ্যার চেয়ে বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা একটু বেশি আছে। প্রতি বছর শীত বাড়লে এখানে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

মন্তব্য করুন