ভারত থেকে এসে হাকালুকি হাওরে মিশে যাওয়া জুড়ী নদীর দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এতে নদীর দুই পাশ ভরাট হয়ে নদীটি পরিণত হয়েছে খালে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অনেকবার নোটিশ দেওয়া হলেও তাতে কর্ণপাত করেনি দখলদাররা। অবশেষে দুই দফা উচ্ছেদ অভিযানে ৯৮টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড।

গত বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপী এ অভিযানে অংশ নেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-ইমরান রুহুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার অর্ণব মালাকার, জুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) মৌলভীবাজারের উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল-আমিন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে গত ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি চলা দুই দিনের অভিযানে ছোট বড় ৮০টি ইমারত গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

জুড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ছোট এই উপজেলাকে সুন্দর করে সাজিয়ে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করা হবে। নদীর দুই পাশ দখলমুক্ত করে ফুটপাত বানানো হবে, পাশাপাশি পার্কের মতো দৃষ্টিনন্দন স্থান হিসেবে এই জায়গাকে সাজানো হবে।

জুড়ী ইউএনও আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, নদীর সরকারি জায়গা উদ্ধারের পাশাপাশি কেউ যাতে পুনর্দখল করতে না পারে সেদিকে কঠোর নজর রাখা হবে।

মন্তব্য করুন