মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জরুরি সেবা ও পণ্যবাহী যান ছাড়া সব যানবাহনে গ্যাস বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে গ্যাস পাম্পগুলো। এদিকে লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকার কথা থাকলেও সিএনজি পাম্পগুলোতে গ্যাস নেওয়ার জন্য ভিড় জমাচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে গ্যাস নিতে আসছে তারা।\হশ্রীমঙ্গল উপজেলায় যানবাহনের জন্য দুটি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। একটি উপজেলার কালাপুরে ম্যারিগোল্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও উপজেলার হবিগঞ্জ সড়কের সকিনা সিএনজি রি-ফুয়েলিং অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সকিনা সিএনজি রি-ফুয়েলিং অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০-৪০টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাম্পের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কোনো জরুরি সেবার যানবাহন গ্যাস নিতে এলেই তারা সেখানে আসছে, গ্যাস বিক্রয়কারী কর্মীদের তাদের সিএনজিতেও গ্যাস দিতে অনুরোধ জানাচ্ছে। পরবর্তীকালে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিক্রয়কর্মীরা এই অটোরিকশাগুলোকে বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য ৫০ টাকার গ্যাস ভরে দিচ্ছে এবং তাদের অনুরোধ করছে যেন লকডাউনে অটোরিকশা নিয়ে আর গ্যাস নিতে না আসে। একই অবস্থা উপজেলার কালাপুরে ম্যারিগোল্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও।\হসিএনজি চালক করিম মিয়া বলেন, শহরের ভেতরে তো আর সিএনজি নিয়ে যাই না। আমরা শহরের বাইরে গ্রামগঞ্জের দিকে অটোরিকশা চালাই। ঘরে বসে থেকে খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে।\হসাকিনা সিএনজি রি-ফুয়েলিং অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক সুজিত ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের এখানে প্রতিদিন গড়ে ৭ লাখ টাকার গ্যাস বিক্রি হয়।\হএখন লকডাউনে এসে মাত্র ৫০ হাজার টাকার\হগ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন