বড়লেখার হাকালুকি হাওরের মালাম বিল এলাকা থেকে হিজল, করচ, বরুণসহ নানা প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার জলজ গাছ কাটার ঘটনায় মামলা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় এ মামলা করা হয়। গত মঙ্গলবার\হরাতে পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেছেন।\হমামলার আসামিরা হচ্ছেন- বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়নের মনাদি গ্রামের জয়নাল উদ্দিন, কাজীরবন্দের গ্রামের মক্তদির আলী, মশাঈদ\হআলী, রিয়াজ আলী, জয়নাল উদ্দিন, কালা মিয়া ও সুরুজ আলী। মামলায় ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি হাকালুকি হাওরের মালাম বিলের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খাসজমির প্রায় ১২ বিঘা জমিতে পরিবেশ অধিদপ্তর সৃজিত বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ এবং প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। মালাম বিলের বাঁধ ও চাষের জমি তৈরির জন্য গাছ কেটে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাকালুকি জাগরণী ইসিএ ব্যবস্থাপনা বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্য ও মালাম\হবিল বনায়ন এলাকার পাহারাদার আবদুল মনাফ গাছ কাটার ঘটনায় গত রোববার পরিবেশ অধিদপ্তরে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন\হকরে গাছ কাটার প্রমাণ পেলে এ মামলা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বদরুল হুদা বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় এ মামলা করা হয়েছে।

এদিকে গাছ কাটার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে মঙ্গলবার এক অনলাইন আলোচনা সভা করেছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। সভায় বক্তারা ইসিএ হিসেবে ঘোষিত হাকালুকি হাওরের প্রাণবৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় সব ইজারা বাতিল করা, হাওরের জলাভূমি ও প্রাণবৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনায় হাওরবাসী জনগোষ্ঠীকে যুক্ত করাসহ বিভিন্ন দাবি জানান।

বিষয় : গাছ নিধন

মন্তব্য করুন