মৌলভীবাজারে নমুনা পরীক্ষা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শুক্রবার সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার ৪০.৪৯। এদিকে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় ভাইবোনসহ ৫৯ জন মারা গেছেন। তবু মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে না। লকডাউন উপেক্ষা করেই বাইরে বের হচ্ছেন তারা।\হমৌলভীবাজারের প্রত্যন্ত অঞ্চলে লকডাউন প্রতিপালনে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মতৎপরতা কম থাকায় গ্রামীণ জনপদে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে ভোগা রোগীর সংখ্যা। অন্যদিকে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে বিনা বাধায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং দোকানদারি করছেন অনেকেই। সদর উপজেলার পাহাড় বর্ষীজোড়া এলাকার এক ব্যক্তি করোনা সংক্রমিত হয়েও প্রতিদিন তার দোকানে বসে অবাধে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এসব কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অনেকে।

সিভিল সার্জন অফিসের করোনা প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টার ফলাফলে সিলেটের পিসিআর ল্যাবে ৪১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৬৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর এলাকার বেণু ভট্টাচার্য (৬২) ও তার বড় বোন শীলা ভট্টাচার্য (৭৫)। এ ছাড়া মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা আরেক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।\হএ নিয়ে জেলায় করোনায় মারা গেছেন ৫৯ জন। সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৮৯ জন।

মন্তব্য করুন