সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত ইকবাল হোসেন ইমাদ অনুপ্রবেশকারী বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তুলেছেন আরেক অনুপ্রবেশকারী এবং মনোনয়নবঞ্চিত সাইফুল ইসলাম।\হবৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শিবির প্রমাণে তথ্য উপস্থাপন করে তার মনোনয়ন বাতিল দাবি করেছেন সাইফুল। তিনি বিএনপি থেকে কয়েক বছর আগে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। বছর দু'য়েক আগে তাকে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একাধিক ছবিতে দেখা গেছে। অবশ্য তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কেউ প্রমাণ করতে পারবেন না তিনি বিএনপিতে ছিলেন। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠানের কিছু ছবি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে রয়েছে। তাতে প্রমাণ হয় না যে তিনি বিএনপিতে ছিলেন।\হইমাদ প্রসঙ্গে সাইফুল ইসলামের দাবি, ইমাদ ২০০৭ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিমকে ম্যানেজ করে দলে যোগদান করেন। ২০১৯ সালে দলের সদস্য হন। সর্বশেষ হাসিমকে ম্যানেজ করে দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ও শেষ পর্যন্ত নৌকার মনোনয়ন পেয়ে যান। ইমাদ যুক্তরাজ্য ও দেশে থাকাবস্থায় তার ফেসবুক আইডি থেকে সরকারবিরোধী পোস্ট করেছেন।\হএর আগে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে ইকবাল হোসেন ইমাদ দাবি করেন, তার নামের সঙ্গে মিল থাকা ইমাদ নামের অন্য ব্যক্তি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি একটি ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে চাকরি করছেন। নামের মিল থাকায় প্রতিপক্ষ ফেসবুক পেজে তার ছবি লাগিয়ে ওই ইমাদের কার্যক্রম তুলে ধরছে।

মন্তব্য করুন