সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দলিল সম্পাদন, রক্ষিত দলিলের পাতা পরিবর্তন ও জাল স্বাক্ষর দিয়ে একজনের জমি অন্যজনের নামে সম্পাদনের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সম্প্রতি এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই সুজিত চক্রবর্তী আদালতে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।\হউপজেলার কালাইরাগের আব্দুল মালিক ২০১৮ সালে সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক, অফিস সহায়ক ছাড়াও একই উপজেলার দলইগ্রামের তোতা মিয়া, শাহজাহান, আমির উদ্দিন, জালাল উদ্দিনসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে দেওয়ানি মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বরে কোম্পানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে বিবাদীরা সরকারি খাস খতিয়ানের ৯৬ শতক জায়গা ১৯৫৪ সালের সেটেলমেন্ট জরিপে রেকর্ড দেখিয়ে সাবকবলা দলিল সম্পাদন করেন। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের লোকদের সহায়তায় তারা রক্ষিত দলিলের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর পৃষ্ঠা বদলে ফেলেন। এমনকি দলিলের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর পৃষ্ঠায় জাল স্বাক্ষরও করেন।

মামলাটি প্রথমে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পিবিআই তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে ওই প্রতিবেদনে নারাজি দেন বাদী। পরে আদালতের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ চলতি বছরের শুরুর দিকে অধিকতর তদন্ত শুরু করে।

তদন্ত শেষে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে তিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার আব্দুল মালিক, নুরুল ইসলাম, অফিস সহায়ক মফিজ মিয়াসহ ১১ জন জড়িত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

মন্তব্য করুন