সুনামগঞ্জের ছাতকে বাতির আলী (৬০) হত্যা মামলা দায়েরের পর বনগাঁও গ্রামে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। হত্যা মামলায় অনেক নিরীহ লোকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

মামলা দায়েরের পর বনগাঁও গ্রামের অধিকাংশ বসতবাড়ি পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে এখন অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই, এমন নিরীহ লোকজনকে হত্যা মামলায় আসামি করায় এলাকায় আবারও সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বাতির আলীর সঙ্গে একই গ্রামের ছালিক মিয়া, নুরুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেনের জমি-জমাসংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যার পর স্থানীয় ইছামতি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে গ্রামের মসজিদের পাশে প্রতিপক্ষের কয়েকজন বাতির আলীর ওপর হামলা চালায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত ১৪ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাতির আলীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১৭ অক্টোবর বাতির আলীর ছেলে লাল মিয়া বাদী হয়ে বনগাঁও দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল হককে প্রধান আসামি করে গ্রামের ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপ-পরিদর্শক সামছুল আরেফিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এমন বেশ কয়েকজনকে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন