সপ্তম ধাপে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি তাহিরপুর উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নির্বাচন। এ লক্ষ্যে গত বুধবার ছিল মনোনয়ন জমাদানের শেষ তারিখ। ওইদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রার্থীরা কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল মহড়া ও ভুভুজেলা বাঁশি বাজিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন জমা দেন। নির্বাচনী আচরণবিধি মানেননি কোনো প্রার্থী। প্রতিদিনই এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে তাহিরপুরে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে না কোনো পদক্ষেপ।

চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা দিন-রাতে সভা-সমাবেশ করছেন গ্রাম কিংবা হাটবাজারে। আর প্রতিটি সভা-সমাবেশে ব্যবহার হচ্ছে কান ফাটানো ভুভুজেলা বাঁশি। সবচেয়ে কষ্ট হচ্ছে বয়স্ক মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের। বেশিরভাগ মিছিলে ছোট-বড় সবার হাতেই এ বাঁশি দেখা যাচ্ছে।

উপজেলা সদর ইউনিয়ন জয়নগর গ্রামের শামছুজ্জামান বলেন, ভুভুজেলা বাঁশিটা বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন। মানুষজন এর শব্দে অতিষ্ঠ।

বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাশেম বলেন, 'আমি মনোয়ন ফরম কেনা থেকে শুরু করে জমা দেওয়া পর্যন্ত বেশি লোকজন নিয়ে আসিনি। আমার সমর্থিত লোকজনকে বলেছি, কোনোভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না।'

তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা (শ্রীপুর উত্তর ও বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ) হাসান-উদ-দৌলা বলেন, 'আমি সবাইকে বলে দিয়েছি নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে হবে।'

তাহিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন বলেন, 'নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না। লঙ্ঘন করলে প্রার্থীদের জরিমানা করা হবে।'

মন্তব্য করুন