সিদ্ধিরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে সালিশ বৈঠক থেকে ধর্ষককে জিম্মায় নিয়ে যায় তার ভগ্নিপতি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল হক।

গত রোববার সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পূর্বপাড়া ক্যানেলপাড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। তবে পুলিশ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত সিফাততে গ্রেফতার করতে পারেনি।

সিফাত গত ২৭ জানুয়ারি মিজমিজি পূর্বপাড়া ক্যানেলপাড় এলাকায় তাদের নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে। এ সময় আশপাশের লোকজন টের পেয়ে তাদের আটক করে উভয় পক্ষের স্বজনদের খবর দেয়। খবর পেয়ে সিফাতের স্বজন গোলাপ হোসেন, মাসুম, মা সেলিনাসহ উভয় পক্ষের স্বজনরা উপস্থিত হয়ে ২ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ ব্যাপারে মীমাংসার জন্য সালিশ বৈঠকে বসেন। সালিশে সিফাতের ভগ্নিপতি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শিমরাইলের জহিরুল হক জহির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মুচলেকা দিয়ে সিফাতকে তার জিম্মায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা একটি মামলা করেন। ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য করুন