ধামরাইয়ে বিয়েবাড়িতে সংঘর্ষ আহত ১০

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৯      

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া গ্রামে একটি বিয়েবাড়িতে তুচ্ছ ঘটনায় বর ও কনেপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ধামরাই, আশুলিয়া ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার রাতে। এ ঘটনায় কনে মর্জিনাকে বাবার বাড়িতে রেখেই বরপক্ষ চলে যায়।

এদিকে এ ঘটনায় উভয়পক্ষই গতকাল রোববার ধামরাই থানায় অভিযোগ করেছে। তবে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া গ্রামের তমিজ উদ্দিনের মেয়ে মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে সাভারের আশুলিয়ার দোনাইদ গ্রামের নবর আলীর ছেলে কাবিল হোসেনের বিয়ের দিন ছিল গত শনিবার। বিকেলে বিয়ের নানা আনুষ্ঠানিকতার পর খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। এর পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কনে মর্জিনা আক্তারকে বাড়ি থেকে বিদায় দেওয়ার সময় উঠানে আকস্মিকভাবে মর্জিনা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

এ অবস্থায় মর্জিনাকে তার স্বজনরা উঠান থেকে ঘরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়া কনে মর্জিনাকে ঘরে নিয়ে যেতে বাঁধা দেয় বরপক্ষের লোকজন। এ নিয়ে বর ও কনেপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায় দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের সুমন সরকার, সজীব মিয়া, হাবিবুর রহমান, সাগর আলী, কামরুল ইসলাম, আমীর হোসেন, হাবিবুর রহমানসহ ১০ জন আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেল্গক্স, পার্শ্ববর্তী আশুলিয়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিক ও ঢাকা চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে শিশু সজীবের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় কনে মর্জিনা আক্তারকে বাবার বাড়িতে রেখেই বরপক্ষ চলে যায়।

স্থানীয় ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, অতি তুচ্ছ ঘটনায় দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।