গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ভুয়া এমএলএম কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তাদের কবল থেকে প্রতারণার শিকার ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে টঙ্গীর 'লাইফওয়ে বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড' নামে একটি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০টি মোবাইল ফোন, একটি মনিটর, একটি সিপিইউ, একটি প্রিন্টার এবং বিপুল পরিমাণ ভুয়া ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে গ্রেফতাররা হলো- কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাছির হায়দার খান, পরিচালক আলতাফ হোসেন, পরিচালক-শিক্ষক আবু নছর, মার্কেটিং অফিসার বাবুল হোসেন, ম্যানেজার লুৎফর রহমান, মার্কেটিং প্রতিনিধি সেলিম রেজা, প্রশিক্ষক জালাল আহম্মদ, অফিস সহকারী মো. শাহীন, মো. সিরাজ, ডিস্ট্রিবিউটর মো. সাজ্জাদ, মামুন খন্দকার, মো. সাকিল, নাজমুল হক, পলাশ সরকার, মাসুদ রানা, মো. তালহা, মো. ছাইদুর, আ. রহমান, জেভিয়ার জেংচাম, মো. সাকিব, অ্যালবিন, রহিম বাদশা, বাপন, রুবেল হোসেন, শিপন রায়, আমিনুর রহমান, তাছলিম উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম, শওকত হোসেন, মো. আরাফাত, আনোয়ার হোসেন এবং নাজমুল হক।

গতকাল বিকেলে র‌্যাব-১১-এর সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অতীতে বিভিন্ন এমএলএল কোম্পানি প্রতারণার মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পরবর্তীতে বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। তদুপরি বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানি নানা পন্থায় এখনও প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বেকার যুব সমাজকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রতারিত ও ভুক্তভোগী কয়েকজনের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ এবং অনুসন্ধানে প্রাপ্ত অভিযোগের সত্যতার ভিত্তিতে র‌্যাব-১১-এর একটি দল গাজীপুরের টঙ্গী থানার মধুমিতা রোড হতে 'লাইফওয়ে বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড' নামে এমএলএম কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে প্রতারকচক্রের ৩২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানকালে ভুয়া এমএলএম কোম্পানির সুসজ্জিত অফিস থেকে প্রতারণার শিকার ৭০ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।

মন্তব্য করুন