মুন্সীগঞ্জে দু'পক্ষে পাল্টাপাল্টি হামলায় আহত ১২

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৯      

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদরের মোলাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটা গ্রামে দুই চেয়ারম্যানপক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা, বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দু'পক্ষই শতাধিক ককটেলের বিস্ম্ফোরণ ঘটায়। এতে নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। ঈদের দিন সোমবার ও মঙ্গলবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ও ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান রিপন হোসেন পাটোয়ারী সমর্থিত পক্ষ এ হামলা চালায়। এ ঘটনায় সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৪-৫ জন মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়, ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনার শ্বশুরবাড়ির ফয়জুল দেওয়ানের ছেলে মাসুম ঈদের দিন বিকেলে আমঘাটা গ্রামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে। এতে ওই ছাত্রীর মামা প্রতিবাদ করলে মাসুমের সহযোগী সোহাগের সঙ্গে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে সোহাগকে মারধর করা হয়। এরই জের ধরে পরের দিন মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মাসুমের সহযোগীরা তাজু, সাকিব, সজীব ও রানাকে মারধর করে। এ খবর পেয়ে সাবেক চেয়ারম্যান রিপন হোসেন পাটোয়ারী সমর্থিত স্কুলছাত্রীর স্বজনরা পাল্টা হামলা চালায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রিপন হোসেন পাটোয়ারী জানান, সোমবার বিকেলে তুচ্ছ ঘটনার বিষয়টি জানালে মীমাংসার কথা বললেও মঙ্গলবার সকালে স্কুলছাত্রীর ৪-৫ স্বজনকে ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনার সামনেই মারধর করা হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা জানান, উদ্যোগ নেওয়ার আগেই সাবেক চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারীর লোকজন মঙ্গলবার

হামলা চালিয়ে ৪-৫টি বাড়িঘর ভাংচুর করে। এ সময় অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ম্ফোরণে আতঙ্ক সৃষ্টির পর তার পক্ষের তাসলিমা, মাসুম দেওয়ান, সানি, লিপি বেগম ও মজিদকে মারধর করে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিস্ম্ফোরিত ককটেলের আলামত সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনায় দু'পক্ষই মামলা করেছে।