কর্মমুখর বাঘার কামারপল্লী

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৭

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কামারদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি, চাকু, ধামা তৈরিসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরিতে এখন কর্মমুখর হয়ে উঠেছে বাঘার কামার সম্প্রদায়। এসব যন্ত্রপাতি খুচরা ও পাইকারি বাজারে চাহিদামাফিক সরবরাহ করতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বাঘা উপজেলার কামার সম্প্রদায়ের শতাধিক লোক। অন্যদিকে, ভ্রাম্যমাণ শানদানিরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে কোরবানি দাতাদের পুরনো সরঞ্জাম শান দেওয়ারও কাজে নেমেছেন। অন্যদিকে, পশু কোরাবানি করার সরঞ্জাম কিনতে কামারদের কাছে ছুটছেন অনেকে।
বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতি পিস ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ টাকায়, চাপাতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এবং বঁটি ২৫০ থেকে ৬০০ টাকায় । ৩৫ বছর কামার শিল্পের সঙ্গে জড়িত দ্বিজেন কর্মকার জানান, ওইসব যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য যেসব উপকরণ প্রয়োজন হয়, বাজার থেকে সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ফলে তৈরিকৃত ওই সব যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে।
উপজেলার আড়ানি বাজার কামারপট্টি বহুমুখী সমবায় সমিতির একজন সদস্য জানান, কামারপট্টিতে মোট ২৫টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে নিজেদের তৈরি সরঞ্জাম বিক্রি করে ১০টি দোকান, আর অন্য ১৫টি দোকানে এসব সরঞ্জাম পাইকারি কিনে খুচরা বিক্রি করা হয়।
কর্মকার দোকানের মালিক আমির হোসেন জানান, যে পাথর ও কয়লা গত বছর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা বস্তা কিনেছিলাম, সেই কয়লা এ বছর কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। ফলে লোহার এসব সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যয় বেড়ে গেছে।