যৌন হয়রানি

চিলমারীতে শিক্ষক গ্রেফতার

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

চিলমারীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়াকে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। জিয়াউর রহমান জিয়া থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক। তিনি থানাহাট মণ্ডলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে শিক্ষক জিয়াউর রহমানের প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল। পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষক এক শিক্ষার্থীকে অন্য একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে শ্নীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় ওই ছাত্রী শিক্ষকের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বাসায় গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়। পরে তার বাবা ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করেন ইউএনও। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জানান, ওই ছাত্রীকে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে আসতে নিষেধ করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে এ অভিযোগ করেছে। থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুর ই ইসলাম বাদশা জানান, বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার রাতেই ম্যানেজিং কমিটির সভা করা হয়েছে। পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্নেষণ করে ওই শিক্ষকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ইউএনও শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ওই শিক্ষককে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। চিলমারী মডেল থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, শিক্ষক জিয়াউর রহমান জিয়াকে গ্রেফতার করে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে শনিবার বিকেলে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সামনে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।