ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিট নেই চলনবিলে

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

চলনবিলঅধ্যুষিত পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁ জেলার ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশনগুলোতে ডুবুরি ইউনিট না থাকায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া ও নৌ দুর্ঘটনার শিকার মানুষের উদ্ধার অভিযান দুরূহ হয়ে পড়েছে।

পাবনা জেলার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বিস্তীর্ণ জলাভূমি নিয়ে চলনবিলের অবস্থান। এসব উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে নৌকাডুবি, পানিতে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটতেই থাকে। ফলে প্রতি বছরই চলনবিলের পানিতে ডুবে শিশুসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

এর মধ্যে গত বছর ১ আগস্ট পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হাণ্ডিয়াল বিলে নৌকাডুবিতে নারী-শিশুসহ ৫ জন মারা যান। প্রতি বছরই এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তাদের উদ্ধারে বিভাগীয় শহর রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি ইউনিটের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। এদিকে ১০০-১২০ কিলোমিটার দূরবর্তী রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশন থেকে চলনবিলের উপজেলাগুলোতে ডুবুরি দল আসতে সময় লাগার কারণে উদ্ধার অভিযান বিলম্বিত হয়। এতে প্রতি বছর প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। এদিকে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁ জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশনেও ডুবুরি ইউনিট নেই বলে জানিয়েছেন তাড়াশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের বিভাগীয় উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, শুধু রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে ডুবুরি ইউনিট আছে। চলনবিল অধ্যুষিত উপজেলাগুলোতেও ডুবুরি ইউনিট থাকা দরকার। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ছাড়া আমাদের করার কিছুই নেই।