ঈশ্বরদী ইপিজেডে দেড়শ' শ্রমিক ছাঁটাই

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

ঈশ্বরদী ইপিজেডের জাপানি গার্মেন্ট (জিন্স) কারখানা নাকানো ইন্টারন্যাশনালে ষড়যন্ত্র করে দেড়শ' শ্রমিক ছাঁটাই করার অভিযোগ উঠেছে। কারখানার প্রশাসন প্রধান ও দোভাষী মনিরুল ইসলাম ইন্টুকে দায়ী করে গতকাল বুধবার ছাঁটাইকৃত শ্রমিকরা ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

শ্রমিকরা বলেন, দোভাষী মনিরুল ইসলাম ইন্টু এ প্রতিষ্ঠানের জাপানি মালিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জাপানি ভাষায় যা বুঝিয়ে বলেন তারা তাই বোঝে। এভাবে ভুল বুঝিয়ে তিনি তার আপন ভাই, শ্যালক, শ্যালিকা, শ্যালিকার স্বামীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজনকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। এসবের বিরুদ্ধে যারাই কথা বলেন, তিনি তাদেরকে চাকরিচ্যুত করতে জাপানি কর্মকর্তাদের কান ভারী করেন।

চাকরিচ্যুত ফ্যাক্টরি ম্যানেজার জালাল উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই শ্রমিকদের ছঁাঁটাই করা হয়েছে। সুপারভাইজার আজম খান বলেন, দোভাষী ইন্টু যখন যাকে ইচ্ছা চাকরি থেকে ছাঁটাই করছেন। প্রোডাকশন ম্যানেজার আব্দুল মান্নান রনি, অ্যাডমিন (কমর্ার্শিয়াল) লাকি খাতুন, প্রিন্টিং বিভাগের সুজন, রাজ কুমার, ওয়াসিম, কাটিং বিভাগের আবুল কালাম আজাদ ভুট্টু, ফিনিশিং ম্যানেজার আতিক উল্লাহ সুজন, কেয়ারটেকার সাইদুল ইসলামসহ চাকরিচ্যুত শ্রমিক-কর্মচারীরা তাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে নাকানো ইন্টারন্যাশনাল ও বেপজা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসব বিষয়ে নাকানো ইন্টারন্যাশনালের প্রশাসন প্রধান ও দোভাষী মনিরুল ইসলাম ইন্টু বলেন, নাকানোতে দুই হাজার শ্রমিক কাজ করে, কোম্পানি ও বেপজার নিয়ম অনুসরণ করে যাদের প্রয়োজন নেই তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।