সাঁওতাল হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০২০

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

সাঁওতাল হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল হত্যা, বাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীদের গ্রেপ্তার দাবিতে সাঁওতালদের বিক্ষোভ- সমকাল

গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল হত্যা, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং ক্ষতিপূরণসহ সাত দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার এলাকার কাটামোড়ে শনিবার সকালে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, বাংলাদেশ আদিবাসী ইউনিয়ন, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদ, এএলআরডি ও জনউদ্যোগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সহসভাপতি রেজাউল করিম। বক্তব্য দেন সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি পুনরুদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাফুরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক বার্নাবাস টুডু, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সুফল হেমব্রম, কোষাধ্যক্ষ গণেশ মুরমু ও প্রচার সম্পাদক রাফায়েল হাজদা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সাঁওতালরা যদি এ দেশের নাগরিক হয়ে থাকে তাহলে কেন হত্যাকাণ্ডের চার বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে না? উল্টো সাঁওতালদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, সাঁওতাল হত্যা, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট, ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ সাত দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করুন। অন্যথায় সারাদেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষ পুলিশ নিয়ে সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে আখ কাটতে যায়। এ সময় সাঁওতালরা ওই জমি নিজেদের দাবি করে আখ কাটতে বাধা দেন। এতে চিনিকল শ্রমিক, পুলিশ ও সাঁওতালদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিন সাঁওতাল। আহত হন উভয়পক্ষের ৩০ জন।