আদমদীঘি

এক মাস্টারে চলছে তিন রেলস্টেশনের কাজ

যাত্রীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা

প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০২০

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে জংশনে এক মাস্টার দিয়ে চালানো হচ্ছে তিনটি স্টেশনের কার্যক্রম। ফলে যাত্রীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা। এতে নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ও বৃহৎ রেলওয়ে জংশন স্টেশন আদমদীঘির সান্তাহার। স্টেশনটিতে এখনও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ আধুনিকতার কোনো ছোঁয়াই লাগেনি। এই স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, টিলাহাটী, দিনাজপুর, পার্বতীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ব্রডগেজ, মিটারগেজসহ অর্ধশতাধিক ট্রেন চলাচল করে। নওগাঁ জেলার ১১ উপজেলা, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার কয়েকটি উপজেলার যাত্রীরা এই সান্তাহার স্টেশন দিয়েই চলাচল করেন। কিন্তু মাত্র একজন মাস্টার দিয়ে চালানো হচ্ছে জয়পুরহাট, সান্তাহার ও তিলকপুর স্টেশন। এতে ট্রেনের যাত্রীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা। যার কারণে স্টেশনগুলোর প্রশাসনিকসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে।

জয়পুরহাট স্টেশন মাস্টার হাবিবুর রহমান হাবিবকে গত ২৪ অক্টোবর থেকে আদমদীঘির সান্তাহার বৃহৎ রেলওয়ে জংশন স্টেশনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ দুই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের পাশাপাশি তাকে তিলকপুরে বন্ধ স্টেশনেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই স্টেশন মাস্টার জয়পুরহাট, সান্তাহার ও তিলকপুরের দায়িত্বে থাকায় ট্রেন যাত্রীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা। এ ছাড়া স্টেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সৃষ্টি হয়েছে নানা জটিলতা।

সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জনবল সংকটের কারণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনটি স্টেশনের দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে হয়। তবুও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি।

রাজশাহী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) নাসির উদ্দিন বলেন, জনবল সংকটের কারণেই আপাতত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।