বিভিন্ন ভাতার আওতায় আরও ১১ হাজার মানুষ

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শাহজাহান সোহেল, সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা)

সাদুল্যাপুর উপজেলায় নতুন করে ভাতার আওতায় আসবেন ১১ হাজার ১১৩ জন হতদরিদ্র মানুষ। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে এই ভাতা বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে আগে থেকে যারা সরকারি ভাতার টাকা পাচ্ছেন, তাদের অনেকেই বয়স জটিলতার কারণে বাদ পড়তে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে জানা গেছে, সাদুল্যাপুর উপজেলায় তিন শ্রেণিতে ভাতার টাকা পাচ্ছেন হতদরিদ্র ১৯ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে বয়স্ক ভাতা ১০ হাজার ৮, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা ৪ হাজার ৫৬০ আর প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা পাচ্ছেন ৪ হাজার ৭০৬ জন। তাদের জন্য প্রতি মাসে রবাদ্দ ছিল এক কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে সাদুল্যাপুর উপজেলায় তিন শ্রেণিতে আরও ১১ হাজার ১১৩ জন হতদরিদ্র মানুষকে ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে বয়স্ক ভাতা ৬ হাজার ৬৯০, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা ৩ হাজার ৯৭৯ ও প্রতিবন্ধী ভাতা পাবেন ৪৪৪ জন। বয়স্ক ভাতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পুরুষের ৬৫ বছর বয়স আর নারীর ৬২ বছর বয়স হতে হবে। প্রতি মাসে বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা পাওয়া যাবে ৫০০ টাকা করে। প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়া যাবে ৭৫০ টাকা করে। নতুনভাবে বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া এই ভাতাভোগীদের জন্য সরকারের প্রতি মাসে ব্যয় হবে ৫৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা। এরই মধ্যে উপজেলার ১১ ইউনিয়ন থেকে বয়স্ক ভাতার জন্য ৯ হাজার ৭৩০, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতার জন্য ৭ হাজার ৮৭৪ জন অনলাইনে আবেদন করেছেন। স্মার্টকার্ড দিয়ে প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করা যাবে। তবে ভাতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় বলেন, আগের ১৯ হাজার ২৭৪ জন ভাতাভোগীর মধ্যে অনলাইনভুক্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৪ জন। বাকি ২ হাজার ২২০ জন এখন পর্যন্ত অনলাইনভুক্ত হতে পারেনি। এমন হলে অনেকেই ভাতার টাকা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। নতুনভাবে যারা ভাতার সুবিধা পেতে যাচ্ছেন তাদের সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

ইউএনও নবীনেওয়াজ হতদরিদ্র মানুষকে সর্তক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, সরকারিভাবে ভাতার টাকা পেতে কোথাও টাকা দিতে হয় না। যারা ভাতা পাওয়ার যোগ্য তারা এমনিতেই পাবেন।