ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে সোমবার আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক ইউপি সদস্য লাল মিয়া সরকারের খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ বলেন, দিনের আলোয় লাল মিয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও ছুরি মেরে হত্যা করেছে খুনিরা। এই চিহ্নিত খুনিদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা কাম্য নয়। ৭ মার্চের মধ্যে এই হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে পরদিন থেকে অর্ধদিবস হরতাল পালন করবে ফুলছড়িবাসী। সেদিন চলবে না কলকারখানা, চলবে না গাড়ির চাকা।

এ সময় নিহত লাল মিয়ার বেয়াই ফজলুপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন সরকার বলেন, 'হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহত বিয়াইয়ের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার করা না হলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুনিদের ধরে আনার হুমকি দেন তিনি।' আরও বক্তব্য দেন ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন ইউসুফ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ, নিহতের ছেলে মুরশিদ আলী প্রমুখ।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি সকালে উড়িয়ার সাদেকখাঁ বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষ এনায়েত হোসেন ও তার লোকজন লাল মিয়াকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।

মন্তব্য করুন