নীলফামারীর জলঢাকায় হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক সমাবেশে উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলো- হরিশ্চন্দ্রপাঠ সুরিপাড়া এলাকার আনিছুর রহমান ও লোকমান হোসেন। সোমবার দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের অংগ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয়রা জানায়, হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমূখী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল। এছাড়াও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ

বাহাদুর, ইউএনও মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান, ওসি মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল, জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব অধ্যাপক মমিনুল ইসলাম মঞ্জু, খুটামারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ শামীম, যুবলীগ আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন ছাদের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের মনোনীত সভাপতি নির্বাচিত ব্যক্তিকে ঘিরে স্থানীয়রা বিরোধিতা করলে এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় আকস্মিকভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরের ওপর হামলা চালায় কয়েকজন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত কমিটি নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার কথা ছিল। প্রধান শিক্ষক সহযোগিতা করেননি। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার ওপর হামলা চালানো হয়।

সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল বলেন, এ ঘটনায় স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন থাকতে পারে।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে হরিশ্চন্দ্রপাঠ বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে এলাকায় না থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।

মন্তব্য করুন