পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে রেলওয়ের বেশকিছু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এসব বড় গাছ ও গাছের ডালপালা রাস্তার ওপরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এ অবস্থায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পৌরবাসীকে।

তিন-চার দিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে এমনিতেই নির্মাণাধীন রাস্তার খানাখন্দে পানি জমে যাওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহন চালকদের। শহরের স্টেশন রোডের রেলওয়ে গেট থেকে বাজার পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে ফেলে রাখা গাছের কারণে এ দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। একদিকে যানজট, অন্যদিকে কাদাপানিতে একাকার। এই অবস্থা থেকে মুক্তি চান পৌরবাসী।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রধান সড়কের দু'পাশে কিছুদূর পরপর বড়-ছোট অসংখ্য গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। রাস্তার অর্ধেক অংশে চলাচলের কোনো উপায় নেই। কদমতলার শিট ব্যবসায়ী আহসান কবীর তিতু বলেন, এমনিতেই রাস্তার কাজ করার দরুন দোকান থেকে মালপত্র ওজন, বিক্রি ও সরবরাহ করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার দোকানের সামনে রাস্তার ওপরে গাছ কেটে ফেলে রাখায় ক্রেতারা সহজে কেনাকাটা করতে পারছেন না। ফলে যাতায়াত ও ব্যবসা দুটোই বন্ধ হওয়ার উপক্রম। গাছ কাটার কাজে ব্যস্ত শ্রমিক শাহিনুর রহমান বলেন, আমরা গাছ কাটার দায়িত্ব পেয়েছি, সরানোর নয়।

রাস্তায় গাছ ফেলে রাখার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, রাস্তা পৌরসভার হলেও গাছগুলো রেলের। রাস্তা প্রসস্ত করার উদ্দেশ্যে রেলওয়েকে চিঠি দিয়ে গাছ কাটার জন্য অনুরোধ করলে তারা সেগুলো কাটার ব্যবস্থা করে। এ ক্ষেত্রে গাছ সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলের পূর্ত তত্ত্বাবধায়ক ইনচার্জ অব ওয়ার্কস (আইওডব্লিউ) তৌহিদ সুমন বলেন, পৌরসভার অনুরোধে গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

গাছ কাটার পর সরিয়ে নেওয়ার বিষয় তিনি বলেন, শিগগিরই গাছগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে।

বিষয় : দুর্ভোগ

মন্তব্য করুন