সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর গ্রামে দাফনের ১৭ দিন পর ছকু মিয়া নামের এক যুবকের মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সোমবার বিকেলে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ছকু মিয়া ওই গ্রামের ওসমান গণির ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন।

নিহত ছকু মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক জানান, ৩১ মে কাজের সন্ধানে গাজীপুরের শ্রীপুরে যান তার বাবা। সেখানে ৩ জুন মারা যান। ৪ জুন তাকে ঘরে আটকে রেখে তার বাবাকে সাদুল্যাপুর উপজেলার পূর্ব দামোদরপুর গ্রামে দাফন করা হয়। এর আগে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে ১৫ মে তার মারধর করেন একই গ্রামের আলমগীর হোসেন, মন্টু মিয়াসহ বেশ কয়েকজন। এরপর বাবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মূলত আলমগীর হোসেন ও মন্টু মিয়াদের নির্যাতনেই তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে ১৬ জুন গাইবান্ধার জ্যেষ্ঠ বিচারিক আমলি আদালতে পিটিশন মামলা করেন তিনি। মামলার পর বিচারক শবনম মুস্তারী শুনানি শেষে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনসহ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।\হসাদুল্যাপুর থানার ওসি মাসুদ রানা জানান, এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন, মন্টু মিয়াসহ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তারা আত্মগোপনে থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বিষয় : যুবকের মরদেহ

মন্তব্য করুন