পাবনার পাকশীতে রেলওয়ের জায়গায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করার ঘোষণা দিয়ে তা আবার স্থগিত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এদিকে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরুর আগে বসবাসকারীদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবিতে বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন আন্দোলনরত পাকশীবাসী।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, পাকশী রেলওয়ের পাকশী স্টেশন এলাকা, দিয়াড় বাঘইল, বাঘইল এবং পাকশী মৌজার ১৩৯ দশমিক ৬৭ একর জমি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ফোর্স বেইজ স্থাপন করার জন্য ইতোমধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে হস্তান্তর করার চুক্তি করেছে রেল।

রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ও পশ্চিমাঞ্চল রেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, পরমাণু শক্তি কমিশন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যৌথ সিদ্ধান্তে আজ বুধবার পাকশী রেলওয়ে কলোনি, এমএস কলোনি, বাবুপাড়া, ঝাউতলা ও সুইপার কলোনি এলাকায় রেলের কোয়ার্টারে ও জমিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল। কিন্তু বৃষ্টি ও করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

উচ্ছেদের মুখে পড়া আতঙ্কিত পাকশীবাসীর পক্ষ থেকে পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ রশিদুল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা জেলা পরিষদের সদস্য ছাইফুল আলম বাবু মণ্ডল স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির মাধ্যমে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগে পাকশীতে বসবাসকারী কয়েক হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ম্যানেজারের কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

বিষয় : পাকশী

মন্তব্য করুন