চলতি অর্থবছরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারুশিল্প ও থিয়েটার খাত থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনকে অনুদান দেওয়া নিয়ে গাইবান্ধায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জেলার অনেক সক্রিয় সংগঠন এ বছর অনুদান না পেলেও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সদর উপজেলার দারিয়াপুরের একই ব্যক্তি পরিচালিত ৮ প্রতিষ্ঠানকে পৃথক পৃথক বরাদ্দে দুই লাখ ৯০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তির একটি সংগঠন বাদে বাকিগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।\হগাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়ার বিজয় চন্দ্র বর্মণ স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগটি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বরাবরে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি গত সোমবার জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিচালক শিল্পকলা একাডেমি ঢাকা, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার কেন্দ্রীয় কমিটির কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে সদর উপজেলার দারিয়াপুরের জুলফিকার চঞ্চল সাইনবোর্ড-সর্বস্ব সংগঠন 'ভোর হলো নৃত্যায়ন, 'সারথী থিয়েটার', 'শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীতায়ন', 'দোয়েল বাচিক বিদ্যায়তন', 'ভোর হলো সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়', 'ভোর হলো', 'সেলিম আলদীন নাট্যায়তন' ও 'উদয় শংকর নৃত্যায়ন' সংগঠনের নামে সাংস্কৃৃতিক খাতে অনুদান নিয়েছেন। ওই সংগঠনগুলোর মধ্যে শুধু একটি সচল থাকলেও বাকিগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই। স্থানীয় জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য জুলফিকার চঞ্চল সুকৌশলে এ কাজটি করেছেন। তবে জুলফিকার চঞ্চল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি একটি সংগঠনের সভাপতি মাত্র। একটি সংগঠনে উপদেষ্টা থাকলেও বাকিগুলোর কোনো পদেই আমি নেই।

এ ব্যাপারে ৫ সদস্য বিশিষ্ট জেলা যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব জেলা কালচারাল অফিসার আলমগীর কবির বলেন, সংগঠনগুলো জেলা পর্যায়ে আবেদন করার পর সেগুলো যাচাই বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হয়। গত বছর ২০টি আবেদন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ১২টি সংগঠন অনুদান পেয়েছে। অন্যদের আবেদন না থাকায় সেগুলো পর্যালোচনা করা যায়নি।

বিষয় : নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান

মন্তব্য করুন