বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধে চরবাসীর অনেক অবদান রয়েছে। কিন্তু  তাদের সাহসিকতার কথা কোথাও লেখা নেই। এ ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত চরের বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। সারাক্ষণই অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাস করতে বাধ্য হয় তারা। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেন তারা। নিজস্ব উদ্ভাবন, সরকারের সমর্থন এবং দেশি-বিদেশি সংস্থার সহায়তায় এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জন করে চরবাসী।

রোববার রংপুর আরডিআরএস বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্স আয়োজিত আঞ্চলিক চর সম্মেলনে চরবাসীর সাফল্য, সম্ভাবনা ও আগামীর অগ্রাধিকারবিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, কেয়ার বাংলাদেশের চিফ অব পার্টি মার্ক নসবাক, অ্যাডভাইজার (গভর্নমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিটি এনগেজমেন্ট) আবদুল মান্নান মজুমদার এবং চর অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব জাহিদ রহমান।

মন্তব্য করুন