ফিলিস্তিনিদের শরণার্থী মর্যাদা কেড়ে নিতে চান কুশনার

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০১৮

সমকাল ডেস্ক

জর্ডানে বসবাসরত ২০ লাখ ফিলিস্তিনির শরণার্থী মর্যাদা কেড়ে নিতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার। এ লক্ষ্যে আম্মানকে চাপ দিয়েছেন তিনি। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য নিয়োজিত জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই এই চাপ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফরেন পলিসির বরাতে এ খবর জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিস্তিনের কর্মকর্তারা জানান, ইউএনআরডব্লিউএ বা আনরওয়া বলে পরিচিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহযোগিতায় সক্রিয় জাতিসংঘের দাতব্য সংস্থার কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের সংঘাত নিরসনের আলোচনায় যাতে করে শরণার্থী ইস্যুটি না থাকে, সে জন্যই এ পদক্ষেপের দিকে হাঁটছে হোয়াইট হাউস।

ফরেন পলিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের কাছে কুশনার ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কয়েকটি ই-মেইল হস্তগত হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট করে কুশনার জানান, আনরওয়ার কাজ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এই ই-মেইলে কুশনার লিখেছেন, এই সংস্থার অবস্থান একপক্ষীয়, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অকার্যকর। এ সংস্থা শান্তি প্রক্রিয়াকে সহযোগিতা করছে না। কিন্তু বর্তমান অচলাবস্থার মধ্যে আটকে থাকা কোনোভাবেই আমাদের কাম্য নয়। বর্তমান অচলাবস্থা কাটিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে আমাদের অনেক কৌশলগত ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।



ট্রাম্পের জামাতা ইহুদি বংশোদ্ভূত জ্যারেড কুশনার ও হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত ও মধ্যস্থতাকারী জ্যাসন গ্রিনব্লাট ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার শান্তি আলোচনা ও সংঘাত সমাধানে দায়িত্ব পালন করছেন। গত বছরের শেষ দিকে ফিলিস্তিনের জেরুজালেমকে একতরফাভাবে ইসরায়েলের রাজাধানী ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এর পেছনেও কুশনারের বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হয়।

সাময়িকীটি জ্যাসনের সিনিয়র রাজনৈতিক উপদেষ্টা ভিক্টোরিয়া কোটসের পাঠানো একটি ই-মেইলের কথাও তুলে ধরেছে। হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো ওই ই-মেইলে কোটস লিখেছেন, হোয়াইট হাউস ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সংস্থাটি বিলোপ করতে চায়।