ইদলিবে রুশ বিমান হামলা

যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ দাবি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল ডেস্ক

সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত প্রদেশ ইদলিবে রুশ বাহিনী নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে। তেহরানে সিরীয় পরিস্থিতি নিয়ে ত্রিদেশীয় বৈঠকের কোনো ইতিবাচক অগ্রগতির খবর না আসায় এই হামলা শুরু হলো। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, ইদলিবের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বিদ্রোহীদের সম্ভাব্য অবস্থান লক্ষ্য করে রুশ বিমানগুলো অনবরত গোলাবর্ষণ করে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, সিরিয়া যদি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার শুরু করে, তাহলে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। খবর বিবিসির।

সিরীয় বাহিনী আপাতত চুপ করে থাকলেও রুশ ও ইরানি সহায়তায় তারা ইদলিবে তাদের সর্বশেষ অভিযান চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের একমাত্র বড় ঘাঁটি ইদলিবে অভিযান চালানোর জন্য রাশিয়া ও ইরান সমর্থিত সরকারি বাহিনী প্রস্তুত ছিল আগে থেকেই। তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশ সামরিক হামলার অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করে জানিয়েছে, এতে মানবিক বিপর্যয় ঘটতে পারে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করেন এবং আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ ও সুরক্ষার দাবি জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ফুটেজে দেখা যায়, আল-দানা শহরের একজন প্রতিবাদকারীকে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ ও সুরক্ষা বিষয়ে আবেদন করতে দেখা যায়। তিনি সিরিয়ায় 'হত্যা' বন্ধে এগিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক মহলকে প্রতি আহ্বান জানান।

অবজারভেটরি জানায়, রুশ যুদ্ধবিমান জেহাদি জোটের মিত্র হায়াত তাহরির আল-শাম ও আহরার আল-শাম গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে শুক্রবার হামলা চালায়। অবজারভেটরি প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেন, এই হামলার টার্গেট ছিল বিদ্রোহীদের দুর্গ ধ্বংস করা। হায়াত তাহরির আল-শামকে সন্ত্রাসী  সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। ইদলিবে সংগঠনটির ১০ হাজার যোদ্ধা রয়েছে। এই সংগঠনকে প্রতিবেশী তুরস্ক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এর আগে এই সপ্তাহে রাশিয়ার বোমারু বিমান পশ্চিম ইদলিবে বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে ৩০টি হামলা চালায়।