বিষ প্রয়োগে মৃত্যু নেতাজি সুভাষ বসুর!

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনের পথিকৃত নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বিষ প্রয়োগে মারা গিয়েছিলেন। তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি 'চেকা' বিষ প্রয়োগ করেছিল- এমনই বিস্ম্ফোরক মন্তব্য করলেন অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরাম সাধারণ সম্পাদক তথা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও নেতাজি অনুগামী জয়দীপ মুখার্জি।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজির জীবনের শেষ পরিণতি ও কেজিবির কিছু বিস্ম্ফোরক তথ্য নিয়ে তার লেখা 'চেকার শেষ উত্তর' নামক পুস্তকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। নেতাজির ওপর থার্ড ডিগ্রি প্রয়োগ করেছিলেন তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার প্রধান জোসেফ স্ট্যালিন। কোনো অ্যাক্সিডেন্ট নয়, বিষ প্রয়োগের ফলে সাইবেরিয়ায় তার মৃত্যু হয়। শেষ অবস্থায় তিনি মূক ও বধির হয়ে গিয়েছিলেন এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তিনি। পাশাপাশি রাশিয়ার কেজিবির ফাইল প্রকাশ করার দাবি জানান।







তিনি বলেন, নেতাজির সব তথ্য প্রকাশ করার ক্ষমতা একমাত্র মোদি সরকারে আছে।

নামোল্লেখ না করে তিনি বলেন, ভারতবর্ষের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ও পরিবার নিজেদের স্ব্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নেতাজিকে দেশছাড়া করেছিল। ক্ষমতা দখলের লোভে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো চেষ্টাই তারা কোনোদিন করেনি। উল্টো ওই দেশনায়ককে মৃত ঘোষণা করেও বারবার বসিয়েছে তদন্ত কমিশন। সে প্রমাণ মিলেছে বহুবার। ১৯৪৫ সালে নেতাজির মৃত্যু হয়নি। ১৯৫৪ সালে মৃত নেতাজির ভস্ম ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য ২০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, যার উল্লেখ সংসদের অধিবেশনের তথ্য থেকে মিলেছে। দু'বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৬ সালে আবারও বসানো হয়েছিল কমিশন। এর থেকেই প্রমাণিত, সেই বিশেষ দল বা পরিবার নেতাজিকে কতটা ভয় পেত। এখানে শেষ নয়, ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত নেতাজির পরিবারের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হয়েছিল।