জনতার কাতারে যেতে চান থাই রাজকন্যা

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

থাইল্যান্ডের রাজকন্যা উবোলরাতানা মাহিদল রাজমর্যাদা ছেড়ে মানুষের কাতারে যেতে চান। আর এ কারণেই তিনি দেশটির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে চাচ্ছেন বলে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান। এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বোনের প্রধানমন্ত্রিত্বের লড়াইয়ে নামার চেষ্টা অনুচিত এবং অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছেন থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন। এ নিয়ে বোনের ওপর চটেছেন তিনি। খবর বিবিসির।

থাই রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন বিরোধিতা করলেও রাজকন্যা নিজের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার সিদ্ধান্তকে যথার্থই মনে করছেন। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, সব ধরনের রাজমর্যাদা ত্যাগ করে তিনি এখন সাধারণ নাগরিকের মতো যাপন করেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হয়ে নিজের অধিকারের চর্চা করতে চান তিনি।

রাজপ্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে রাজা বলেছেন, রাজপরিবারের উচ্চপদস্থ সদস্যের রাজনীতিতে জড়িত হওয়া, তা যেভাবেই হোক না কেন, তা দেশের ঐতিহ্য, প্রথা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর সে কারণেই এ ধরনের কিছু করা একেবারেই ঠিক নয়।

ভাজিরালংকর্নের বোন প্রিন্সেস উবোলরাতানা মাহিদল (৬৭) সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া একটি দল থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

থাইল্যান্ডের রাজ পরিবারের সবসময়ই রাজনীতি থেকে দূরে থাকার সংস্কৃতি রয়েছে। উবোলরাতানা রাজনীতিতে এলে সেই ধারার লঙ্ঘন হবে।

আগামী ২৪ মার্চ থাইল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্নেষকরা জানিয়েছেন, রাজা ভাজিরালংকর্নের হস্তক্ষেপে নির্বাচন কমিশন উবোলরাতানার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে।

গত পাঁচ বছর ধরে সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে থাইল্যান্ড। ২৪ মার্চের নির্বাচনকে দেশটির জন্য গণতন্ত্রে ফেরার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।